Thursday, February 11, 2016

তনয়া
-আরিফুল ইসলাম।
তুই আমায় ভুলে গেলে,ভুলে যাব পৃথিবী ।
স্বঘোষিত কবি আর স্বঘোষিত হিড়জা একই বিষয়!
কারন,
দু'জনই দলবেঁধে চলে।
-আরিফুল ইসলাম।
পাদটীকা : একদল উত্তরে,একদল দক্ষিণে, আরেকদল আজিজ মার্কেটে।
ঢাকা শহর এখন এদের রাজত্ব।
নট নটীর রঙ্গমঞ্চ
-আরিফুল ইসলাম।
এই যে মানুষ সেজে দাঁড়িয়ে থাকা,
 অতঃপর - দৌড়ে পালানো।
মিডিয়ার নষ্ট শরীর দেখে - গুরু দৃষ্টিতে ! অথবা বীর্যপাতের পর -
 কুত্তার বাচ্চা বলে গালি দেওয়া।
পৃথিবীর বুকে,
পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলির চিহ্ন রেখে যাচ্ছে - একদল শুয়োর।
সভ্যতার বুকে পেরেক ঢুকিয়ে হাসছে,
 বেশ্যার শরীরের গন্ধ নেওয়া - একদল হারামীর বাচ্চা।
আরেক দল দেশকে ঠাপাচ্ছে লাগামহীন,
 পয়দা হচ্ছে - কালো গাড়ীতে দেহ বিক্রি করা নটী মাগীর দল।
সব বেশ্যা! সব ধর্ষক! সব বেশ্যা! সব ধর্ষক!
মানুষ সেজে ঠাপাচ্ছে মানচিত্র! ঠাপাচ্ছে বাংলার সীমানা!
নি‌ষিদ্ধ অনুভূ‌তি
-অা‌রিফুল ইসলাম ।
নীল প্রজাপত‌িটা অাজ ঘুম থে‌কে জে‌গে‌ছে বেশ সকাল সকাল ।
পাখনা মে‌লে‌ই ভাব‌ছে, একট‌ি যুবতীর টসট‌সে গালে বস‌বে !
অথচ,
যুবতী,
গা‌লের বদ‌লে এ‌গি‌য়ে দি‌য়ে‌ছে‌ তার গোলাপ রঙ্গা ঠ‌োঁট!
নীল প্রজাপ্রত‌ির ম‌নে ল‌োভ বাসা বেঁ‌ধে‌ছে‌, তাই স‌ে,
গাল অথবা ঠোট থে‌কে‌ একটু গভী‌রের সন্ধা‌নে..........
বাটপার আর চোরের এ শহরে, মানষগুলো আজ বেশ বেমানান।
-আরিফুল ইসলাম।
অতীত থেকে পাওয়া
-আরিফুল ইসলাম।
কয়লার বেপারী জানে ! কয়লার শেষ পরিনতি;
আমাকে জ্বালাতে এসো না।
 দু:খ
-আরিফুল ইসলাম।
আমি বেশ আছি, এক ললনার দুঃখ ফেরি করে।
বইমেলায় সুন্দরীদের বই একটু বেশিই বিক্রি হবে, এটা যদিও কোন সহি হাদিস নহে ! তবুও এটা চিরন্তন সত্য।
-আরিফুল ইসলাম।

Tuesday, February 9, 2016



ভাষার গায়ে বারুদের গন্ধ ছিল সেদিন

-আরিফুল ইসলাম ।


খোলা আকাশের বিগ্রহময় বিজয়ের লোহিত রেখা চিক চিক করছে।
আশুগের বীচিতে ক্ষণে ক্ষণে ভেসে আসছে- ছালাম, বরকত, রফিক, জব্বারের আগুনমাখা স্লোগান।

উনিশশসাতচলি­!
করাচি শিক্ষা সম্মেলনে ভাষাকে বাঁচানোর জন্য যেভাবে প্রতিবাদের সর্বশুচি দাউ দাউ করে জ্বলছিল।
সেটা দিনকে দিন রূপ নিচ্ছে পেট্রোলে অম্বু মেশানোর মতই।

কনকনে শীতের স্তব্ধ সকাল। শহ­ীদুল্লাহ হলের পুকুরটায় যেন বারুদ বুঁদবুঁদ খেলা করছে।
সাগর, আজিজ, রাজা, রতন কোরা গেঞ্জি গায়ে দৌড়াদৌড়ি করছে।
 প্রাণের ভাষাকে শৃঙ্খলমুক্ত করতেই যত আয়োজন।
ওদের সর্বাঙ্গে এখন-
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, প্রেমহরি বর্মণ, ভূপেন্দ্র কুমার দত্ত, শীশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মত লোকগুলোর আত্মা বাসা বেঁধেছে।

কার্জন হলের পাশ দিয়ে দৌড়াচ্ছে অভীক প্রতিবাদী ছাত্রছাত্রী।
বিশালাকায় ক্রমশ এগিয়ে যায় ঢাকা মেডিকেলের মোড়ে।

খবর পাচ্ছি প্রতিক্ষণে...
গণদাবির আওয়াজে ভারি চারপাশের বাতাস।

আমি যাচ্ছি না। যাচ্ছে আমার সত্তা।
প্রতিবন্ধীর দৌড় কতটুকু জীবিতেশ বেশ ভালোই জানেন।

এক, দুই, তিন ঘণ্টা পরে-
হাঁপাতে হাঁপাতে দৌড়ে আসে রতন। আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি। বুঝতে চেষ্টা করি ভারি নিশ্বাসের বোবা ভাষাকে।
পিছু পিছু আসে বকুল। ওর তনু দেখে বুঝে ফেলি, বাতাস বেশ ভারি রূপ নিয়েছে এতক্ষণে...

আমার স্ক্রেচের বুকে লুটিয়ে পড়ে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে রতন।

১৪৪ ধারা বিহিতক ভাঙার দায়ে! ওরা কেউ নেই!
ছালাম, বরকত, রফিক, জব্বার.......

Saturday, February 6, 2016

ধোয়া অত:পর মূত্যু
- আরিফুল ইসলাম
আরিফুল ইসলাম
নরম কেদারায় দু’পা ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে
মূত্যুর নিকট বন্ধুত্বের হাত বাড়াই।
দুই ঠোঁটের লাল সীমানা স্পর্শ করে মূত্যু
কখনো শিখার কৌতূহলে গোলাকার
একেÑবেকে বয়ে চলে কখনো কখনো।
দুঃখকে কবর দিতেই নাকি
এই পন্থা অবলম্বন!!
নষ্ট অতীততে পুড়িয়ে ছাই করা
দু’কলম শিক্ষার ভয়াবহ পরিনতি।
যৌবনত্ব লাভের একটা ভুল-সিদ্ধান্ত
বায়ুর ভিতরে যৌবন নয়,মুত্যূর স্বাদ নিহিত
ইচ্ছাশক্তিকে পরাজিত করে
লেলফেল করেই স্বাদ খুঁজা
কারণ আমি শিক্ষিত!!
বুঝার ক্ষমতা আছে
মানার বিন্দুমাত্র নেই।
বিদ্রোহীর অনল-২

- আরিফুল ইসলাম


ধর্ম নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের কে গুড়িয়ে দিতেই এখানে এসেছি
কতবার সংবাদ পড়ে ধিক্কার জানিয়েছি কলুষিত যাযাবর এক অদূর্শ্য ধর্মকে
কতদিন টিভি খবর আমাকে মুখ লোকাতে বাধ্য করেছে মায়ের শাড়ির আচলে
আমি ধ্বংস ডেকে আনবো তাদের-
যারা ধর্মের ভাজে ভাজে লুকিয়ে রাখে ভন্ডামি,লোভ,লালসা;
দেদারছে হত্যা করে এক ভাই আরেক ভাইকে খুচিয়ে খুচিয়ে।
দাড়িঁ নবীর সুন্নত ,রাখুন দাড়ি যত বড় ইচ্ছা করে আপনাদের
আমি অনুরোধ করবো,কখনো যেন সেই দাড়ির নিচে দেশ ধ্বংসের নীল নকশা না থাকে।
মানি না আমি মানিনা সেই ধর্ম। আমার ধর্ম ইসলাম। অর্থ আপনারা সবাই অবগত আছেন “শান্তি”
আমি মানিনা অশান্তির কোন ধর্ম নামের অধর্মকে।
মসজিদ নিয়ে কমিটির রাজনীতি,ধর্মকে পুজি করে রাজনীতি
আমি কোনকালে প্রশয় দেয়নি আর মানবোও না
ভেঙে ফেল তোমাদের অমসজিদের কলুষিত দেয়ালের রাজনীতিতে গাথা প্রতিটি ইট
যেখানে সিজদারত থাকে কংকালসারী কিছু অপদার্থ আর কু-চক্রি ঘূণিত মানুষ
মানুষ বললে আসল মানুষগুলো অপমান করা হয় ওরা অমানুষ,নাস্তিক।
কথাগুলো শুনে হয়ত আপনারা আমাকেই নাস্তিক ভাবতে শুরু করেছেন
এটা অস্বাভাবিক হবার মত কিছুই নয়!
সত্য কথা সব সময়ের জন্য মিষ্টি লাগে না তিতাই হয়।
ভেঙে ফেল তোমার অস্পষ্ট মন্দির নামের পবিত্র উপাসনালয়
যেখানে অমানুষের রাজ্যে বসবাস করে অপদার্থ, বেহায়া আর মানুষ্যরুপী কিছু শয়তান
ভগবানের নামে মাটির স্বর্গে যারা ধোয়া উড়িয়ে উড়িয়ে পাপ করেই চলেছে দিন দিন
আমি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ! কারন আমি মানুষ রুপে জন্ম নিয়েছি কুকুরের বেশে নয়
জন্মের সাত জনম আগে আমি হয়ত সনাতন অথবা পুরোহিত ছিলাম
খ্রিস্টান হয়ত আমার প্রিয় ধর্ম ছিল অথবা বৌদ্ধ ছিলাম হয়ত।
নিশ্চয় ভাবছেন, এটা কি পাগলামু ছাড়া আর অন্য কিছু হতে পারে।
আমরা আজ দূনীতি রাজ্যের রাজা অনেকেই তা আপনারা সবাই জানেন
দূনীতি হয় মূলত পযাপ্ত টাকার লোভনীয় মোহ সেটাও জানেন
আমরা গরীবরা দূনীতি কাকে বলে অনেকেই অবগত নেই
তাই দূনীতি করাটা হাস্যকর ব্যাপার ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না আমাদের কাছে।
দূনীতি করেন আপনার, আপনাদের মত কিছু অর্থলোভী অমানুষগুলো
যারা ইতোমধ্যে রাতারাতি গড়ে তুলেছেন কালো টাকার পাহাড়
যে পাহাড়ের সীমানায় আমরা সাধারন মানুষগুলো পৌছাতে পারিনা
ভেঙে ফেলুন আপনার দূনীতি প্রতিরোধ কলুষিত আইন
আগে নিজে নিজের চরকায় ভালভাবে তেল দিতে শিখুন
আমরা কেন ? ষোল কোটি বাঙালি মাথা পেতে মেনে নেবে আপনার আইন
কথাগুলো শুনে হয়ত সরকারি মানুষগুলো ভাবছেন
কখন টেনে হেচড়ে আমায় জেলখানার খুপে বন্দি করে নিবেন, তা আমি জানি
কিন্তু আপনার হয়ত জানেন না আমরা বাঙালি জীবন দিতে জানি
সহ্য করতে পারিনা অন্যায় অত্যাচার দূনীতি।
প্রতিদিন সকালে প্রত্রিকা খুললেই চমকে উঠি,দাড়িয়ে উঠে আমার শরীরের অবুঝ লোমগুলো
আমার নাবালীকা ছোট বোনকে কোন এক নরপশু জোরপৃর্বক ধর্ষন করেছে
ধর্ষণ করেই ক্ষন্ত হয়নি,গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যাও করা হয়েছে
কেন হচ্ছে এই সব? আপনারা সব জানেন,গুপটি মেরে বসে থাকেন প্রাচিরে-
পোষা কুকুরগুলোকে বাচানোর জন্য,আমরা জানি সব
আইনের ফাক ফোকরা দিয়ে পশুগুলো বার বার বেড়িয়ে পড়বেই,
আমি আরও সহজ আইনের আওতার যুক্তি আগলে দিচ্ছি
শুনে হয়ত শরীর ঝাড়া দিয়ে উঠবেন অথবা আমায় পাগল বলতেও দ্ধিধা করবেন আমি জানি
আপনাদের আদরের বোন আর ধষিত হবেনা শুনে নিন সেই নিয়ম-
যেখানে যে অবস্থায় নরপশুদের সন্ধ্যান পাবেন আক্রোশে কেটে নিন তার গোপন অঙ্গ
যেন আর কোন অবলা বোনটির উপর ঝাপিয়ে পড়ার সাহস ও ই”্ছা না পায় কোনদিন
এটাই হোক ওদের জন্য সাধারনের জন্য শ্রেষ্ঠ আইন।
আপনার বলতে পারেন কি? আমরা সাধারন মানূষগুলো কেন আপনাদের জন্য
কুকুরের মত মরে রাস্তায় পড়ে থাকবো
সিংহাসন ছেড়ে উঠে দাড়ান! ভালবাসুন আমাদের মত সাধারন মানুষগুলো কে
সিংহাসন আগলে রাখার কোন প্রয়োজন আমি বোধ করি না
কারণ সিংহাসনটা আপনাদের জন্য নয় ওটা সাধারনের।
আমি বিদ্রোহী

- আরিফুল ইসলাম


রক্তেভেজা মাটির লৌহ উত্তাপে
বার বার গর্জে উঠছে শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর
রেসকোর্স ময়দানকে টপকিয়ে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আলোড়ন কে ছিটকে
একই আওয়াজে ফাঁসি-ফাঁসি ফাঁসি চাই
মুখে তার ফুটে উঠেছে ভাষার যৌবন
উসকে আগুনের ফুলকি চোঁখ থেকে সবাঙ্গে।
যুদ্ধে যাবো মা, আরেক বার যুদ্ধে যাবো
৭১’ এর যুদ্ধে যারা রাজাকার,আলবদর
তাদের ধংস্ব করার যুদ্ধে
আমি আজ বিদ্রোহী
রক্তে আমার বিস্ফরিত হচ্ছে
জ্বালা মেটানোর ইচ্ছাগুলো
আমি উম্মত মাগো,বড্ড উম্মত।
কোন বাধা আজ আমি মানিনা
ওই তো প্রজন্ম চত্বর! আমাকে ডাকছে
আমি যাবো মা
বোনের সম্ভম ভাইয়ের রক্তের ছাপ ভুলতে পারিনি মা
আমি ভুলিনি
ওদের ফাঁসি দিয়েই ঘরে ফিরবো
ওদের ফাঁসি দিয়েই ঘরে ফিরবো মা
(শাহাবাগ প্রজন্ম চত্বর)
১৫/০২/২০১৩ রাত ১০টায়
পথকলি
- আরিফুল ইসলাম
আরিফুল ইসলাম
পঁচা দুর্গন্ধময় নালার শরীর ছুয়ে
মশা ও কুকুরের সাথে সন্ধি করেছি নগ্ন শরীরে
আবরণ ছিলনা , প্রয়োজনও বোধ হয়নি
চৈত্রের খরতাপে হাড়ের গিরায় গিরায়
গেঁথে নিয়েছি সহ্য করার ক্ষমতা।
অত:পর বৃষ্টি
- আরিফুল ইসলাম
আরিফুল ইসলাম
অপ্রত্যাশিত মেঘকে উপেক্ষা করে বাদল
ঝিম ঝিম টুপ টুপ রিম রিম
স্বৃতি বিজরিত নিষ্ঠুর হাওয়া উত্তেজনায় উম্মাদ
কল কল ঝির ঝির আনবরত ফোটা।
মনের আদিম চোখ মেলে তাকাই
সোজা সেই রাস্তার পানে-
গ্লাস ভেদ করে চোখের দৃষ্টি
আকানো বাকানো চুল ছড়ানো লম্বা গাছ
যেন নবযৌবন প্রাপ্তি কিশোরী-
স্নানরত অবস্থায় মাতুয়ারা
মাথার মগজ মনে করিয়ে দেয়-
সেই চেনা রাস্তার মোড়টি
ল্যামপোষ্ট নেই,ট্র্যাফিক নেই, জ্যাম নেই
শুধু মিলনমেলায় ঠাই দড়িয়ে চারটি রাস্তা।
কতনা লুকোচুরি.খালি পায়ে হাটাহাটি
বাদলের ভয়ে দৌড়ানো।
কিন্তু আজ দেখো-
তুমিহীন রাস্তা,ঝিম ঝিম বৃষ্টির ফোটা-
কলিজা ভেদ করে রক্তের স্রোতে পরিনত।
কাদামাখানো রাস্তাটি-
ইট,পিচ মাখানো হয়ে একাকার।
তবুও বোকার মত এই আমি-
আশায় আশায় আজও কাটিয়ে দিচ্ছি বছর
যদি তুমি বৃষ্টির ফোটা হয়ে আস...
বিদায় অত:পর বেঁচে থাকা
- আরিফুল ইসলাম
(কবি সুনীল গঙ্গোপ্যাধায় এর স্বরণে)
আরিফুল ইসলাম
ঘুমের সাথে সন্ধিটা তখনো শেষ হয়ে উঠেনি
ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রটাকে বালিশ ঘেষে শুইয়ে দিলাম।
হঠাৎ!!
তার করুণ ডাক-চেচামেচিতে
আধো জড়ানো চোখ দুটো ঘুমকে ছুটি দিল
রাত্রী দ্বিপ্রহর প্রায়
বিরক্তিগুলো আমাকে ছিড়ে ছিড়ে খেতে লাগলো
যন্ত্রটার অবয়বে আবছাঁ চোখে উঁকি মারলাম।
সেকি!
সত্তর দশকের কবি নিখিলের ফোন
হ্যালো হালো....
কোন কন্ঠ কানকে স্বর্শ করলো না
হালো হ্যালো....
বোবা কন্ঠের ইঙ্গিত পেলাম
নিখিল কি তাহলে...
বিপরিত থেকে আর্ত কষ্টে জানালো
“ সুনীল গঙ্গোপ্যাধায় আর নেই ”।
নিখিলের বোবাবাজটা আমাকেও ছাড় দিলনা
বিমূঢ় চিত্তে নির্বাক হয়ে -
আধো কান্নায় কাতরাতে লাগলাম।
সত্তর দশকের সাহিত্যের আকাশে তন্নতন্ন-
করে কোনায় কোনায় খুজে
যে নক্ষত্রের দেখা মিলেছিল
সে নাকি অদৃশ্য হয়ে গেছে!!
নিখিলের বুলিগুলো কর্ণ কুহর ভেদ করে-
হৃদপিন্ড স্পর্শ করেছে ।
ওপাশের কান্নার খরস্রোতা ঢেউটা
লাইনচ্যূত করে দিল যন্ত্রটাকে
ভাবলাম!
নিখিল, আমি,
সাথে কি যন্ত্রটাও শূন্যতা অনুভব করলো ? ।
অচেতন আমি বুঝে নিলাম
এ ক্ষতি পূরণীয় নয়
“অবিস্মরনীয় থাকবে তুমি
যতদিন রবে এ ধরণী”
চন্দ্রানী আমায় বলেছিলো
- আরিফুল ইসলাম
চন্দ্রানী বলেছিলো-
পাঁচদিন পর জেল থেকে বেরিয়ে আসছি!
তোমার অপেক্ষার অবসান ঘটাতে
অন্তরের অব্যক্ত কথনগুলোকে-
উজার করে দেবো তোমার তরে
নগ্ন পায়ে হেঁটে হেঁটে পাহাড়ের চূড়ায়-
গিয়ে গুপটি মেরে বসে থাকবো
রাতকে সন্ধ্যার সাথে সন্ধি করে দেবো
নদীর ভরা যৌবন দেখতে দেখতে...
দুজনে মিলে একাকার হয়ে যাবো।
আমি পুঁড়ামুখে হেসে বলেছিলাম
ভার্সিটি কখনো কি জেলখানা হয় ?
চন্দ্রানী বলেছিলো-
যে পৃথিবীতে তুমিহীন লগ্ন কাটাতে হয়-
তাকে কি উপাধি দেবো! বলতে পারো?
চন্দ্রানী এও বলেছিলো-
দূর্গা পূজার ছলে
শত লোকের আনাগোনায় দু-জনে
নতুন রুপে অমর সঙ্গী হবো
ভালবাসার আলতু পরশে
বাধ ভাঙা ঢেউ এর মত তরতর করে-
ভেঙ্গে দেবো ধর্মের সবটুকু ব্যবধান।
চন্দ্রানী আরও বলেছিলো
কাকীমাকে সব খুলে বলবো
আমাদের সুতাটাকে শক্ত করে বাধার জন্য
এবার একটা বিহিত করতেই হবে।
অথচ
না....।
মৌমিতা সেন সেদিন এসেছিল ।
-আরিফুল ইসলাম
দেয়াল ঘেষে শুকনো রুটি হাতে
মৌমিতা সেন আসবে ।

জিন্না হলের পাশটাই আমি দাঁড়িয়ে।
আমি দাঁড়িয়ে থাকি।
ওকে প্রথম দেখে;
কতরাত ঘুম আমায় ধরা দেয়নি।
একটি সাদা গোলাপ ওর হাতে ধরিয়ে দেবো বলে
এভাবেই তো দাঁড়িয়েছিলাম।
তমাল জানতো আমাদের সম্পর্কটা।
ভাসিটির দেয়ালে তমাল লিখেছিল;
“রাষ্টভাষা বাংলা চাই”
ও তো লিখেই ছুটি নিল।
হায়েনারের দল তমালের বুকে-
গুণে গুণে...
এ ডজন বুলেট ঢুকিয়েছিল।
শেষ কথা বলা হয়নি ওর সাথে,
বলা হয়নি যুদ্ধ শেষ হলে, ধর্মের ভেদাভেদ-
ভেঙ্গে তছনছ করে ফেলবো।
মৌমিতা সেন কি আসবে না?
ও তো অনেক অভিমানি;ওর লাল গালে চুঁমো দিয়েছিলাম বলে
রাগে, অভিমানে কতদিন কথা হয়নি।
লজ্জাবতী মেয়েরা বুঝি এমনি হয়।
পিছনের দিকে তাকাই।
নর্দমায় পড়ে থাকা দেহটা
কুত্তার দল সম্ভবত নেড়েচেড়ে
খেয়ে উঠতে পারেনি।
আমি দেখছি। ওটা লাশ নয়!
ভগবান ওকে হাত বাড়িয়ে ডাকছে।
আর ও ডাকছে অন্য কাউকে!!
মৌমিতা সেন কি তাহলে আসবেনা?
Those day's after the war

-Ariful Islam.

There are the blood spot on the varsity wall
Platoon of freedom fighter with there wordless look
On the floor of Iqbal hall, Single hand, pair less leg
The picture standing in the time of the past
Whose hand is that? Whose leg is?
Tamal was hearted to see the watch and shoe
The dogs are hunting meat smell on the wide roads
Bone full vultures are
Playing with the virginity of mother and sister
then playing till now.
Dear friend Moumita Sen
If I touch her body on jokes, she was ashamed on thing to do sins
But that day hyena's pulled over her all bodies
She is till crying loudly as covered with war girl
Freedom is crying, crying the war girl
Tomal's thousand of brothers are crying- they must cry.

(Translated by : M.S.I. Sagar.)
Chandranee Said to me

-Ariful Islam

Chandranee said
After five day's coming from jail
To end your waiting
The untold words of heart -
I will give all to thee
Till the top of hill on open foot
There I will stay secretly
Will the evening embrace the night
On to See the pretty river
Both of us become one
I said with gloomy laugh
Is the varsity even to the jail?
Chandranee said,
Where there the moment without you
What can I named - can you tale?
Chandranee also said
In the Durga festival
You and me on movement of hundreds people
Newly we become immortal part of us
In touch of fairly love
As the flowing wave of destroy
Will break down limitation of Religion
Chandranee said more
I'll share all to my aunt
To knot our thread hardly
Same thing have to do this time
But
No ---

(Translated by : M.S.I. Sagar.)
Thinking Not

-Ariful Islam

From the lip of black weapon coming
The Atomic lines of poem
Burning day by day the dreaming map of Bangladesh
In the table of reading foreign pornography's are playing
Dancing voices playing in the office's cell phone.
Region of gathering facing trouble the age
Lovely tiny younger are rushing the home
Shouting me.
Some of bitch barging her form road side tea stall
My son talking, I to hear, I'm not astonished to hear the amount
That astonished me.
I to hear, how to cry the freedom
Now to dishonor the map of Bangla. Reading the News
Watching falls headlines on T.V.
Thinking not, the country thought me
Rap, hijack, bombing or women force are increasing.

(Translated by : M.S.I. Sagar.)
Moumita Sen's are not the Minor

-Ariful Islam

Once upon a night's story
101, Green road Holding gate
I'm closer with a short gun under the black blanket
Dear fighter friend Tamal, his lovely younger Moumita Sen
She was guised to see my unfit shape.
But that day
Tomal was not aware about my entry
wasn't Moumita Sen too
Beside the second door
Loosely Tomal was stand like a mime man
Moumita Sen
Wasn't surrendered to god's call
The full blossom flower was raped by force
1 touched the partly opened body on the floor
She wasn't ashamed, doesn't tale me "You the peeping tom", with the finger
Youthful deadly body was surrender to my lap
Was it for love?
Senseless this me
Have seen the green-red flag of Bangladesh
On the bulleted bodies of uncle and aunt
I didn't hear Tomal's heart broken shouting
Nobody hear.
Moumita Sen's wasn't the minor
Who are them?
Who's the minor?
ভগবানের কারসাজি
-আরিফুলইসলাম।
মৌমিতা সেনের সিঁথির সিঁদুরে;
স্বপ্নগুলো অসুস্থ হয়ে পড়েছে,
ভগবান জানে।

স্বার্থপর ভগবান সব জানে।
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা
-আরিফুল ইসলাম।
এক হাতে তুুচ্ছ জীবন আরেক হাতে একগুচ্ছ স্বপ্ন
আমি স্বপ্নবাজ। অথবা স্বপ্নের জুয়াড়ী।
পুরোনো স্বপ্ন,নিত্য নতুন স্বপ্ন ফেরি করি!
...
তুমি নিদ্বিধায় ভেঙে ফেল
আমি আবার তিল তিল করে গড়ি।
জীবনটা এভাবেই হাতে নিয়ে-
কখনো মরি ,কখনো বা মূত্যুকে আলিঙ্গন করি।
তবুও তো বেঁচে আছি।
অনুভূতির ছুটি
-আরিফুল ইসলাম।
হৃদপিন্ডটা তোমার হাতের তালুতে
সঁপে দিতে চেয়েছিলাম!
প্রেমাত্তক শক্ত হাড়ের গিরা খুলে খুলে।

সত্যি কি চেয়েছিলাম?
...
চেয়েছিলাম বলছি কেন?
সিথির সিঁদুরে-
তোমাকে সঁপে দিয়েছি হৃদপিন্ড
ভূলে থাকার অভিনয় কৌশলে।
অদেখা পাপ
-আরিফুল ইসলাম
আমাকে এক কাপ কফির বদলে-
এক গ্লাস রক্ত দাও!
রক্তপানে যদি মানুষ থেকে বিছিন্ন হয়ে যাই
যদি ধর্মের গায়ে কাঁটা বিধে
তবুও
আমাকে এক গ্লাস রক্ত দাও।...

সবুজ দেশের মাটিতে
তেতাল্লিশ বছর পৃর্বে যারা রক্ত খেয়েছিল!
আমি তো তাদের পূজা করি!
আমাকে এক গ্লাস রাজাকারের রক্ত দাও;
কলিজার যন্ত্রনা মেটানোর মত রক্ত।
অল্প দেশপ্রেম
-আরিফুল ইসলাম।
অন্ধকার। ঘুটঘুটে অন্ধকার।
মানচিত্রের গায়ে উকুনের জ্বালাতন।
কবিতার লাইনে দেশপ্রেমের আগুন নেই ।
...
রাজাকার আজ মাইকায় কেনা-
রাজনীতির কৌশলে বনে যাচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা।
মাথা মোটা বাঙালি-
মারছে এক ভাই আরেক ভাইকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে !
আমি দেখছি। আমি হাসছি না।
এক ভাই আরেক ভাইকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে !
আমি দেখছি। আমি হাসছি না।
আইন হচ্ছে,প্রয়োগ কবে হচ্ছে? জানার ইচ্ছা করছে না।
ভাই মরছে। বোন কাঁদছে। স্বাধীনতা পুঁড়ছে
অথচ
আমি বাঙালি বিচারের ফাইল দেখছি না।
গুমের সাফ কথা-১
-আরিফুল ইসলাম।
দিন দিন গুম হয়ে যাচ্ছি...
গুম হয়ে যাচ্ছে রক্তাক্ত স্বাধীনতা।
গুম হয়ে যাচ্ছে গুমের ফালতু কাগজপত্র।
নির্বিচারে গুম হচ্ছে দেশপ্রেম!...
মিডিয়ার শিরোনামে আলোচিত হত্যাকান্ড
নগ্ন রাজনীতির কালো চাদরে গুম
হয়ে যাচ্ছে।
দিন দিন গুম হয়ে যাচ্ছি...আর ফিরছি না।
একটি ফুটন্ত স্বপ্নের গল্প।
- আরিফুল ইসলাম
গুটি গুটি পায়ে কতদূর হারিয়ে যাবে?
হয়ত বা জীবনের রিপরীতে।
স্বপ্ন,
তোমার জন্ম ও মূত্যুর ইতিহাস-
আমি তো জানি।
তবু,
চাইবোনা কোন করুণা ।
বোতামহীন,পকেটহীন
এক রঙা নতুন জামা;
না চাইলেই তুমি দিবে; আমি জানি।
............................................
ইসলামপুর, জামালপুর
১১/০৬/২০১৪ খ্রি:
বাজেট কি?
-আরিফুল ইসলাম।
আমি
রেললাইনের প্লাটফর্মের পাশেই-
কুকুরের বেশে শুয়ে আছি,
স্বাধীনতা আমি পাশাপাশি জড়িয়ে।
আমার একটা বাজট চাই।
খুচরো পয়সায়; শুকনো রুটির বাজেট!
অতীত থেকে পাওয়া
-আরিফুল ইসলাম।
কয়লার বেপারী জানে কয়লার শেষ পরিনতি;
আমাকে জ্বালাতে এসো না।
 বেপারী
-আরিফুল ইসলাম ।

ভগবানের দেওয়া সুঁই-সুঁতায়; স্বপ্ন রিপু করি
ছেঁড়া স্বপ্ন নিয়ে কোন দিকে বেহুদা দৌড়াও হে স্বপ্নের বেপারী।
কার স্বাধীনতা?
-আরিফুল ইসলাম।
স্বাধীনতা,সোনা আমার
একটু এই দিকে আয়!
আমার কাছে এসে আইলে বস!

তোর কানটা একটু মতলে দেই
তুই হাতির ছয়টা পা দেখেছিস নাকি?
যুদ্ধের তেতাল্লিশ বছর পরÑ
আমার রক্ত প্রশ্ন ছুড়ে মারে কেন?
নরম চেয়ার,এসির বাতাস
অন্যায়,অত্যাচার,ঘুষের দরাদরি
এগুলো দেখতেই কি-
তোকে ছিনিয়ে এনেছিলাম সোনা।
চোঁখ বড় বড় করে আসিস ক্যান
যা.... যা না
নর্দমার পাশে গিয়ে দেখ!
বস্তিতে এখনো তোকেহীন ঘুমায়-
হাজারো পঙ্গু মুক্তিসেনা।
লজ্জা তোর, কবেই ছিল
কবেই বা হবে।
আমিও তো বসে আছি,
কলম হাতে।
সেই দিনের.......
.........................................
ইসলামপুর,জামালপুর-২০২০
                                                 বই আলোচনা : দৈনিক জামালপুর পত্রিকায় ।

স্বপ্নের চাষাবাদ
-আরিফুল ইসলাম।
অন্ধকারের বুকে ভর করে-
আমিও কোন একদিন স্পর্শ
করবো ধবধবে সাদা মেঘের শরীর।
সেইদিন হয়ত ঈশ্বর হবেন আমার
বিবাদী।
একটি রাষ্ট দূষিত হওয়ার পেছনে ভন্ড চরিত্রের সাধারন জনগন দায়ী ৮০% । বাকী ২০% দায়ী ক্ষমতাসীন চেয়ার।
-আরিফুল ইসলাম ।
ছড়া : কথোপকথন-১
- অারিফুল ইসলাম।
নমস্কার দাদাজান
কেমন আছেন শুনি
কতদিন পর দেখলাম আহা
আপনার মুখখানি।

নারে ভাই ,ভালো নাই
ভালো থাকি কেমনে?
অায়েশা আমায় একা করে
চলে গেল যেমনে।
আরে আরে দাদুজান
জল আনতে নেই চোখে
ভুলে গেলেন বলতেন আমার
ছাপ ফেলতে নেই মুখে।
নারে ভাই , কেউ বলেনা
একটু আপন করে-
"সকাল সকাল ফিরো কিন্তু
আসল কবিতার নীড়ে"।
সত্যি দাদু ,ব্যথা পেলাম
দারুন একটা ব্যথা
আড্ডা দিবো আরেকদিন
যদি হয় দেখা।
ওকে ওকে দাদুভাই
আবার হবে দেখা
কবিতার সাথে আড্ডা
কপালে থাকলে লেখা।



                                                             নিজহস্তে লেখা কবিতা-2

 
                                                          নিজ হস্তে লেখা কবিতা
মন্দির ভাঙ্গতে পারবো,
পেগোড়া ভাঙ্গতে পাবরো,
মূর্তি ভাঙ্গতে পাবরো,
অন্য সব ধর্ম নিয়ে কট্টূক্তি করতে পারবো!
ইসলাম ধর্ম নিয়ে লেখলেই মোল্লাগো চুলকানি বেড়ে যায়।
- আরিফুল ইসলাম।
কাব্যলক্ষ্মী
-আরিফুল ইসলাম
এসো হে কাব্যলক্ষ্মী!
এসো আমার ভাঙ্গাঘরে ।

অলস ডায়রীর-
সাদা পাতার শরীরে একটু স্পর্শ দিয়ে যাও !
কতদিন দেখা হয় না তোমার সাথে......
অতীতকে ভুলে যাওয়ার ক্ষমতা কেউ রাখে না, যেমন রাখিনা আমি নিজেও !
কারন,
অতীত ভুলে গেলে মানবজাতি বোবা হয়ে যাবে! বলার মত কোন কথা থাকবে না।
-আরিফুল ইসলাম।
কাউকে হারানোর যন্ত্রনা আমার নেই!
যে আমাকে ভুলে গেছে, হারানোর যন্ত্রনাটা নিতান্তই তার একার।
-আরিফুল ইসলাম।
পরের জন্মে কি হবে কুরআন-এ লেখা আছে, এ জন্মে কি হবে এটা লেখা আমার কর্মে।
-আরিফুল ইসলাম।
মুক্তিযুদ্ধ ও প্রেমের গল্প
-আরিফুল ইসলাম।
পিচ্চি গোয়েন্দা রুমেলের হাত থেকে পাওয়া-
মৌমিতা সেনের খোলা চিঠিটা বুক পকেটে রেখে-
তিন জোড়া উলঙ্গ পা আর আমি ।
যুদ্ধাহত ল্যাম্পপোষ্টের-
নিভু নিভু যৌবনের বুকে ভর করে ,
হাঁটছি, গ্রীণ রোডের সেই ১০১ নং বাসার দিকে ।
আমরা রণক্ষেত্র ছেড়ে পালাচ্ছি না।
সহযোদ্ধা তমালকে টানে তার রক্ত,
আমি আগেও গিয়েছি বহুবার, আজও যাচ্ছি ধর্মের পর্দা ছিড়ে
মৌমিতা সেনের খুব কাছে ।
যৌবনের টানে না,
সেই স্বর্গীয় প্রেমের টানে ।।
ম্যানহোলের পাশেই কয়েকটি লাশ !
কোনটার চোখ নেই,
কোনটার পা নেই, কোনটার হাত নেই
কোনটার বা কোনটাই চেনার উপায় নেই ।
একটি ন্যাংড়া কুকুর লাশগুলোর গন্ধ নিয়ে খেলা করছে ।
কুণোব্যাঙের ডাক, আর ঝিঁ ঝিঁ পোকার বেসুরা সুরে
আঁতকে উঠে আমাদের প্রিয় অবুঝ শর্টগান ।
দেয়ালের ওপারে যেন বুলেটের ঝড় বয়ে যাচ্ছে,
আমরা হাটছি ! বাতাসের সাথে মিতালী করে ।
মৃত্যু হাটছে আমাদের পিছু পিছু
মৌমিতা সেনের মায়াময়ী মুখ, টোলপড়া হাসি-
কান্না থামানোর ছলে, গাইড দেখবো বলে
নরম হাতের স্পর্শ নিয়েছি কতবার !
জাতের গন্ধে নয়, লজ্জায় ঠেলে দিয়েছে-
কখনো কখনো ভার্সিটি ক্যাম্পাসের সবুজ ঘাসের বুকে ।
কল্পনার সাগরে ভাসতে ভাসতে-
সেই পরিচিত গেইট ! সেই গ্লাস ভেদ করা লাল আলো কাঁপে।
ততখনে সব শ্মশান ।
হায়েনারের দল ও গাড়ির আলো নিঁভে গেল সোজা রাস্তাটায়......


                         প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হবার পর অটোগ্রাফ দিচ্ছি । জীবনের স্বরণীয় একটি সময়

Friday, February 5, 2016


লেখক : আরিফুল ইসলাম ।

প্রকাশকাল :2011
একতা প্রকাশনি

তুমি নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে আজ কারও মুখে হাসি ফোটাও,কেউ না কেউ তোমার মুখে হাসি ফোটাতে জীবন দিয়ে দিবে।
-আরিফুল ইসলাম।
কারও প্রতি নির্ভরশীল হওয়া মানেই নিজের সত্তাকে বিকিয়ে দেওয়া ।
-আরিফুল ইসলাম।
মোল্লারা যে সব ফতুয়া মুখে বলে,তাদের বাস্তব জীবনে তার কোনটাই প্রয়োগ করে না।
-আরিফুল ইসলাম।
কবি এখন মঙ্গলগ্রহে
-আরিফুল ইসলাম।
পৃথিবী নামক গ্রহে একটি গলাছিলা রাষ্ট্রের অবস্থান।
সেই রাষ্ট্রের একটি ফরমালিনযুক্ত কবিতা শোনাবে কবি।
"গলাছিলা রাষ্ট্র " কথনটা শুনে খিলখিল হেসে মাটিতে গড়াগড়ি খায় মঙ্গল গ্রহের প্রাণীগুলো।
এ রাষ্ট্রে একদল শিক্ষিত নাপিত বাস করে,
পোষা কুকুরের মত একদল চামচাও,
আবার,
একদল বুদ্ধি বিত্রুেতাও আছে।
কেউ মানচিত্র সেলাই করে,কেউ কেউ ক্ষমতা- গরুর মাংসের মত ভাগাভাগি করে !
তবুও তারা স্যুট পরিহিত বিখ্যাত নাপিত।
এ রাষ্ট্রে প্রসব বেদনা ছাড়াই পয়দা হয়,আইন নামের গেল্লা গেল্লা ছানা !
জন্মনিয়ন্ত্রণের অভাব,ভিষণ অভাব।
কোন কমিউনিটি ক্লিনিক নেই।
ছানাগুলো,
কেউ কেউ কাজ করে,
আবার কেউ কেউ অচল পয়সার মত গড়াগড়ি খায় এ পকেট থেকে ও পকেটে।
এ রাষ্ট্রে,
মিডিয়া নামে একটা জাদুর চেরাগ আছে! ও সব পারে ।
মহাশয় আমজনতা চেরাগের জাদু দেখে দেখে,এখন আর বিশ্বাসকে সেলাই করে না ।
কবিতা শেষ না করতেই,
মঙ্গলগ্রহের একটা প্রাণী, কবি'র কাছে এগিয়ে এসে প্রশ্ন করে,
আচ্ছা কবি সাহেব, ঐ রাষ্ট্রে মানুষ ক'জন?.......
প্রেম শুধু স্বর্গ থেকেই আসে না! কিছু কিছু নরক থেকেও আসে।
-আরিফুল ইসলাম।
এমন ঈশ্বর আমার প্রয়োজন নেই,
যে ঈশ্বর ক্ষুর্ধাত মানুষের মুখে খাদ্য তুলে দিতে পারে না।
চাওয়ার থেকে পাওয়ার পরিমানটা বেশী হলেই, আপনি হয় পাগল হয়ে যাবেন না হয় সব হারাবেন।
-আরিফুল ইসলাম।
দুটি কবিতা
-আরিফুল ইসলাম।
এক.
তোমার দেওয়া,
বিবস্ত্র দুঃখগুলো আমার বুক পকেটে।
দুই.
আমার দেওয়া,
সুখগুলো রেখেছ,কোন পকেটে?
সংকীর্ণ মনা মানুষগুলোকে দেখলেই পাছায় লাথি দিতে ইচ্ছা করে।
যে সম্পর্ক অল্পদিনেই গাড় হয়, সেটাই অস্থায়ী।
পৃথিবীতে সবচেয়ে রহস্যময় প্রাণীটির নাম "মানুষ"।

Thursday, February 4, 2016

কিছু কিছু মানুষ কুকুরকে অনুকরণ করে কিন্তু কুকুর মানুষকে অনুসরণ করে মাত্র।
-আরিফুল ইসলাম ।
যারাই নীতিবাক্য বলে তারাই নীতিবান নহে।
-আরিফুল ইসলাম।
মৃত স্বপ্নগুলো কোন ধর্মে বিশ্বাসী ছিল
-আরিফুল ইসলাম।
স্বপ্নগুলো,
একটার পর একটা অপমৃত্যুর স্বাদ নিয়েছে ।

একবার ভেবেছিলাম গোসলবিহীন দাফন দেবো,
একবার ভেবেছিলাম শ্মশানে নিয়ে, চন্দনে পুঁড়িয়ে দেবো,
একবার ভেবেছিলাম মমি বানিয়ে রেখে দেবো।
অথচ,
বুঝেই উঠতে পারিনি,
স্বপ্নগুলো,
মুসলিম,হিন্দু, খ্রিষ্টান নাকি বৌদ্ধ ছিল।
টোকাইয়ের স্বাধীনতা
- আরিফুল ইসলাম ।
স্বাধীনতা,
তুই কোথায় থাকিস?

কোন দিকে তোর আনাগোনা ?
কার বালিশে মাথা রেখে চোখের জল মুছিস ?
আমাদের বাড়ীতেও একটু উকিঁ দিস ।
আমরা রেল লাইনের পাশে-
ছোট্ট ঐ এক চালা বস্তিতে থাকি !
প্রসঙ্গ : পাঁঠাবলি অতঃপর প্রকৃত বন্ধুকে খোঁজা।
কেউ কেউ আছেন যারা দীর্ঘ সময় ধরে ফেসবুকে বিচরণ করেন।
শুধু নিজের জন্য, নিজেকে মার্কেটিং করার জন্য,নিজের লেখাগুলো শত শত গ্রুপে পোষ্ট দেওয়ার জন্য ,
আবার সেই লেখায় কমেন্টস আর লাইক পাওয়ার জন্য ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুদের মেসেজ অপশনের দ্বারস্থ হওয়ার জন্য ।

কোনদিনও পাঁঠাগুলো অন্যের লেখা লাইক, কমেন্টস তো করেই না আমার মনে হয় তাকিয়েও দেখে না।
আমি ওদের গতিপথ লক্ষ্য করি আর কোন কথা না বাড়িয়ে সোজা ব্লক!
ওরা আমার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকলেও যা না থাকলেও তা।
ওদের কারনে অনেক কাছের বন্ধুর লেখাগুলো পড়া থেকে বঞ্চিত হই মাঝে মাঝে ।
তাই ওদের পাঁঠা ভেবে বলি দেওয়াই কি শ্রেয় নয়?
শয়তানের রাজ্যে,
মানুষ নামের প্রাণীগুলোর দাম খুবই কম।
-আরিফুল ইসলাম।
কেউ আমাকে কষ্ট দিলে,তাকে বুঝতে দেই না বরং তার সাথে স্বাভাবিক ব্যবহার করি !
একদিন সে নিজেই বুঝতে পারবে এবং অনুতাপের আগুনে জ্বলবে; এটা আমি জানি..... ।
-আরিফুল ইসলাম।
ক্ষমতা হাতে পেলে,
ফেরেশতাও মাঝে মাঝে শয়তানের রূপ নেয়।
-আরিফুল ইসলাম।
মন্ত্র
-আরিফুল ইসলাম।
সব শিখালে!
ভুলে যাওয়ার মন্ত্র তো, শিখালে না।
কবি স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য কয়েকটি ভালো কবিতা বা দুটি লাইন-ই যথেষ্ট!
-আরিফুল ইসলাম।
সারকথা :
বিখ্যাত কবিদের বেলায় তার ব্যতিক্রম কিছুই পাইনি !
বড়জোর পাঁচ,সাত বা দশটি কবিতা কালের সাক্ষী হয়েছে।
বিখ্যাত কবি'রা যা লিখেছেন সবগুলোই ভালো মানের কবিতা, এমনটি ভাবা যাবে না ।
কিছু কিছু কবিতা দেখলে মনে হবে, ওগুলো এখন ছোট্ট বাচ্চারাও লিখতে পারবে।
সমসাময়িক বিখ্যাত কবিদের টপকিয়ে যাওয়ার মতই অনেক কবিতা চোখে পড়ে, অনেক কবি'র লেখা ওদের চেয়ে হাজারগুণে ভালো!
(আট থেকে দশ জনের নাম লিখতে ইচ্ছা করছে ! পরে ঝামেলায় জড়াতে হয়, তাই আজ থাক! আরেকদিন লিখবো। যারা সত্যিকারের কবি )
সোজাসাপটা ভাবে বলতে গেলে,
"বিখ্যাত কবি মানেই তার প্রতিটি কবিতাটিই বিখ্যাত হবে " এটা ভাবা মানেই বোকার রাজ্যে বাস করা।
সেইসব মানুষগুলো বেশ বিপদজনক! যারা, স্রোতের শরীরে নিজের শরীর ভাসিয়ে দেয়।
-আরিফুল ইসলাম।
অমৃত স্বপ্ন
-আরিফুল ইসলাম।
তোমার অঙ্গে জড়ানো লাল শাড়ী আর বাঁকা চাহনিতে, লুকিয়ে থাকে আমার স্বপ্নগুলো ।
আমি যখন বাস্তবের মুখোমুখি হই,
তখন মনে হয়,কেউ কারো জন্য না।
-আরিফুল ইসলাম।
মৌমাছি বন্ধু
উৎসর্গ : প্রিয় বন্ধু Rubel Niloy কে।
-আরিফুল ইসলাম।
যেদিকেই তাকাই দেখি মৌমাছি !
মধুর পেছনে দৌড়াচ্ছে,মৌমাছিগুলো।
অনেকেই দেখি প্রোফাইলে নামের আগে, কবি ওমুক কবি তমুক ! লাগিয়ে রেখেছে।
অথচ,
কবিতার একটা লাইনও তো কোনদিন পড়লাম না !
আসলেই কি তারা বর্তমানে কবি? নাকি ভবিষ্যৎ কবি?
নাকি সবটাই ভন্ডামী?
মানুষের বুদ্ধি যখন কয়েক মিনিটের জন্য হ্যাক হয়ে যায়,
তখনি বিপদে পড়ে।
-আরিফুল ইসলাম।
দিন দিন ছেলেগুলো সাজসজ্জায় মেয়ে হয়ে যাচ্ছে, মেয়েগুলোও ছেলে হওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগে গেছে।
-আরিফুল ইসলাম।
প্রেমিকার নরম ঠোটে চুমোর চেয়ে,নিজের প্রকাশিত বইয়ের শরীরে চুমো দেওয়াটাই বেশী অমৃত মনে করি।
-আরিফুল ইসলাম।
তনয়া
-আরিফুল ইসলাম।
তুই আমায় ভুলে গেলে,ভুলে যাব পৃথিবী ।
দেহটা নিজের হেফাজতে রেখে, প্রানটা নন্দিনীর কাছে গচ্ছিত রাখার নাম-ই প্রেম।
-আরিফুল ইসলাম।
লোকটা সরকারি চাকুরীজীবী ,প্রচুর অবৈধ টাকার মালিক !
তাই কিছু,
লোভী প্রকাশক, হিজড়া সম্পাদক, মৌমাছির মত কিছু মিডিয়া ব্যক্তিত্ব!
সাথে কিছু আবাল সাহিত্য বুদ্ধেলও!
তাকে কবি বানানোর ট্রেন্ডার নিয়েছেন।
- আরিফুল ইসলাম।
তুমি চাইলেই,
সুখগুলো নগ্ন পায়ে হেটে হেটে নরকে চলে যাবে।
-আরিফুল ইসলাম।
স্বঘোষিত কবি আর স্বঘোষিত হিড়জা একই বিষয়!
কারন,
দু'জনই দলবেঁধে চলে।
-আরিফুল ইসলাম।
ভেজা ঠোঁট আর বাঁকা চাহনিতে ভাব
দেখাতে এসো না !
কবিরা ভাব বিনিময় করেই বেঁচে থাকে।
-আরিফুল ইসলাম।
নট নটীর রঙ্গমঞ্চ
-আরিফুল ইসলাম।
এই যে মানুষ সেজে দাঁড়িয়ে থাকা, অতঃপর - দৌড়ে পালানো।
মিডিয়ার নষ্ট শরীর দেখে - গুরু দৃষ্টিতে ! অথবা বীর্যপাতের পর - কুত্তার বাচ্চা বলে গালি দেওয়া।
পৃথিবীর বুকে,
পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলির চিহ্ন রেখে যাচ্ছে - একদল শুয়োর।
সভ্যতার বুকে পেরেক ঢুকিয়ে হাসছে, বেশ্যার শরীরের গন্ধ নেওয়া - একদল হারামীর বাচ্চা।
আরেক দল দেশকে ঠাপাচ্ছে লাগামহীন, পয়দা হচ্ছে - কালো গাড়ীতে দেহ বিক্রি করা নটী মাগীর দল।
সব বেশ্যা! সব ধর্ষক! সব বেশ্যা! সব ধর্ষক!
মানুষ সেজে ঠাপাচ্ছে মানচিত্র! ঠাপাচ্ছে বাংলার সীমানা!
তুমি আর একবার ফিরে এসো,
ভালোবাসতে নয়,
কাঁদাতে চলে এসো !
অনেকদিন হলো কাঁদতে ভুলে গেছি ।
-আরিফুল ইসলাম।
হাসতে হাসতে কাঁধে লুটিয়ে পড়া অথবা কাঁদতে কাঁদতে বুকে জড়িয়ে ধরাকেই ভালোবাসা বলে।
-আরিফুল ইসলাম।
যে রক্তে স্বাধীনতার চেতনা বাস করে
-আরিফুল ইসলাম।
হে যৌবন,
তুমি চাইলেই,
পৃথিবীটার শরীরে লাল শাড়ী জড়িয়ে দেবো।
তুমি চাইলেই,
যুদ্ধাপরাধীদের শরীরময় ছুঁড়ে দেবো,
ইউরেনিয়াম মেশানো দু'লাইনের কবিতা।
লজ্জা লাগে
-আরিফুল ইসলাম।
রক্তে আগুন জ্বলে রে,
রক্তে আমার আগুন জ্বলে!

যখনি দেখি,
রক্তে কেনা স্বপ্নের পতাকা আমার
দেশদ্রোহীর গাড়ীতে দোলে।
প্রণয়পীড়িত
-আরিফুল ইসলাম ।
প্রণয়‌িনী,
কলিজা প‌োড়ার গন্ধ পাও না
অথচ,
সম্পর্ক প‌োড়ার গন্ধ ঠিক-ই পাও ।
নি‌ষিদ্ধ অনুভূ‌তি
-অা‌রিফুল ইসলাম ।
নীল প্রজাপত‌িটা অাজ ঘুম থে‌কে জে‌গে‌ছে বেশ সকাল সকাল ।
পাখনা মে‌লে‌ই ভাব‌ছে, একট‌ি যুবতীর টসট‌সে গালে বস‌বে !
অথচ,
যুবতী,
গা‌লের বদ‌লে এ‌গি‌য়ে দি‌য়ে‌ছে‌ তার গোলাপ রঙ্গা ঠ‌োঁট!
নীল প্রজাপ্রত‌ির ম‌নে ল‌োভ বাসা বেঁ‌ধে‌ছে‌, তাই স‌ে,
গাল অথবা ঠোট থে‌কে‌ একটু গভী‌রের সন্ধা‌নে..........
স্বাধীনতা তু‌মি রাজাকারমুক্ত হও
-অারিফুল ইসলাম ।
দে‌খো দে‌খো,
মুক্ত অাকা‌শের বু‌কে অাজও একঝাক শকুন‌ের ঠোঁ‌টে অামাদের স্বপ্ন‌ের স্বাধীনতা উড়‌ছে ।
জীবিতেশ বেশ জা‌নে‌ন ।
- অা‌রিফুল ইসলাম ।
অতীতের নরম ঠোঁ‌টে চু‌মো দি‌য়ে দ‌ে‌খেছ‌ি,
অমৃতরস বল‌ে কিছুই ছিল না ।




চালাক মানুষের করা বোকামিগুলো সব সময় হাস্যকর।
-আরিফুল ইসলাম।
কবিদের তল্লাটে অকবি, তেতুলকবি বা পাঁঠাকবি অতীতেও ছিল,বর্তমানেও আছে আর ভবিষ্যৎতেও থাকবে।
-আরিফুল ইসলাম।
যে আমাকে ভুলে গেছে! তাকে ভেবে অযথা সময় নষ্ট করিনা, যে মনে রেখেছে তাকে নিয়েই যত ভাবনা।
-আরিফুল ইসলাম।
দ্বৈধীভাব
-আরিফুল ইসলাম।
আমি দেখেছি,
অবিশ্বাসের অনলে গহন প্রেমকেও জ্বলে যেতে ।
আমার মনের কোন বাউন্ডারি নেই, বাউন্ডারি কোনকালেও ছিলনা  আর বাউন্ডারি থাকতেও নেই ! কারন মনের বাউন্ডারি থাকলে সৃজনশীল কাজ করা যায়।
-আরিফুল ইসলাম।
বাল্যবিবাহ রোধ করলেও,
বাংলাদেশে বৃদ্ধবিবাহ রোধ করা যাচ্ছে না।
-আরিফুল ইসলাম।
যদি না থাকে মনের টান! জন্ম নেয় অন্তরে হাজারো ভান।
-আরিফুল ইসলাম।
অব্যর্থ চেষ্টা
-আরিফুল ইসলাম।
ওলো সখী,
তুই ভুলে গেছিস্!
তাই আমার এই ভুলে থাকার চেষ্টা.......
শর্টফিল্ম
-আরিফুল ইসলাম।
এই যে হাটছি।
এই যে মনের জানালা খুলে দিয়ে কথোপকথন করছি।

কষ্টের বপুতে চাদর মুড়িয়ে হেসে যাচ্ছি।
বেশ করছি! আমি বেশ করছি।
গুতাগুতি একটি মারাত্মক ব্যাধির নাম !
দেশের নীতিনির্ধারকরা যখন এ ব্যাধিতে আত্রুান্ত হন, তখন নিজেকে বাঙালি ভাবতে লজ্জা লাগে।
-আরিফুল ইসলাম।
মা যখন হাসেন, ঈশ্বর তখন না হেসে থাকতে পারেন না ।
-আরিফুল ইসলাম ।
আমি বস্তিহারা বলছি
-আরিফুল ইসলাম |
হে বুদ্ধি বিক্রেতা,
আমারে একমুঠো ভাত দে !
তোর স্বাধীনতা চাই না .......
হে বুদ্ধি বিক্রেতা,
তোর ডিজিটাল শহর চাই না!
আমারে একখান বস্তি দে ......
ছায়াকে লাথি দিলে, ছায়াও পা তোলা করে।
-আরিফুল ইসলাম
বাটপার আর চোরের এ শহরে, মানষগুলো আজ বেশ বেমানান।
-আরিফুল ইসলাম।

Wednesday, February 3, 2016




প্রিয় অগ্রজ,
আপনার হয়ত জানাই নেই যে, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মায়ের পেট থেকে কেউ কবি হয়ে জন্ম নেয়নি!
সয়ং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কি কাজী নজরুল ইসলামও না।
তাই আপনার ভাবভঙ্গি আর কথাবার্তা বেহায়াপনা ছাড়া আর কিছুই না মনে হয়না আমার কাছে ।

দেশবরেণ্য অনেক কবির প্রথম জীবনের কবিতাগুলো পড়লে বমি যে আসবে না সেটা ভাবেন কি করে? এবং কি সয়ং আপনার প্রথম জীবনের কবিতা পড়ে আমি পাঠক হিসেবে বমি করতে বাধ্য হয়েছি!
তাই বলছি,
অনুজকে দমিয়ে রাখার চিন্তা মাথা থেকে ঝেরে ফেলুন।
আর মাথায় স্নেহের হাত রেখে বলতে শিখুন " লিখতে থাকো,তুমি হবে বাংলা আগত সাহিত্যের প্রতিনিধি।
স্বপ্নাচারে উচ্ছুলতার প্রতিক “ গুমের চিতায় স্বাধীনতা “


সালাহ উদ্দিন মাহমুদ

তরুণ কবি আরিফুল ইসলামের কবিতা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। চিরসংগ্রামী ব্যক্তি আরিফ ও চিরস্বপ্নচারী কবি আরিফ কখনো কখনো একসুতোয় বাঁধা পড়েন অবলীলায়। তার তীর্যক প্রতিবাদ, শ্লেষ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যায় কবিতায়।

কবি আরিফুল ইসলামের চতুর্থ গ্রন্থ ‘গুমের চিতায় স্বাধীনতা’ ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রকাশিত হয়েছে। মৌমিতা সেন থেকে হালের পথকলি, নির্যাতিত বোন, স্বদেশরক্ষাকারী অবহেলিত যোদ্ধা ও ব্যর্থ প্রেমিক কিংবা কবির প্রতিমূর্তি প্রতিফলিত হয়েছে বইটিতে।

চারুপিন্টুর প্রচ্ছদে চমৎকার এ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেছে আলোকবর্তিকা প্রকাশনী। গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে লন্ডন প্রবাসী বিশিষ্ট কবি ও গীতিকার ওয়াহিদ জালাল ও কবির আদরের ছোট ভাই ফারুক হোসেনকে।

কবির কবিতার মধ্যে ‘মৌমিতা সেনরা সেদিন সংখ্যালঘু ছিল না’, ‘নিষিদ্ধ পল্লীর অনুভূতি’, ‘পৃথিবীর পথে’, ‘মাথা মোটা বাঙালি’, ‘টোকাইয়ের স্বাধীনতা’, ‘মা আছে বলেই কবি বেঁচে থাকে’, ‘পরাজিত স্বপ্নগুলো’, ‘শেষ লেখা’, ‘শূন্য’, ‘স্বর্গের আরেক নাম ভালোবাসা’ ও ‘সাতটি কবিতা’ বেশ ভালো লেগেছে। পাঠককে স্মৃতিতাড়িত করবার মতো কবিতা এগুলো। যেগুলোর নাম নিতে পারিনি, তার মানে এই নয়যে, তা পাঠযোগ্য নয় কিংবা অবহেলিত। এ কেবল আমার দৃষ্টিভঙ্গি। অনেকেরই হয়তো অন্যান্য কবিতাও ভালো লাগবে। মূলত কোনো কবির কোন কবিতা কোন পাঠকের ভালো লাগবে এটা কবিও জানেন না। জানেন না পাঠক নিজেও। হয়তো পড়তে পড়তে কোনকালে মোহাবিষ্ট হয়ে পড়েন কবিতার কথাগুলোর ওপর।

শেষ লেখায় কবি বলেছেন,
‘আজ অনেকদিন পর, উলঙ্গ পা-দু’টো মাটিকে স্পর্শ করেছে! একদিন হয়তো,
উলঙ্গ শরীরটাকেই স্পর্শ করবে মাটি।’
কবির বোধ পাঠককে ভাবনার অতলে নিয়ে যায়। ফিরে এসে রয়ে যায় দীর্ঘশ্বাস। কেন যে তিনি শেষ লেখা লিখলেন তা হয়তো কবিই বলতে পারবেন। আমি কবির মধ্যে অপার সম্ভাবনা দেখি। বেঁচে থাকার অনেক উপলক্ষ্য দেখি, যথেষ্ট কারণও দেখি।

কবি আরিফুল ইসলাম তার ‘শূন্য’ কবিতাটি উৎসর্গ করেছেন ‘বন্ধু নিলয় নীল’কে। কবির ভাষায়-
‘যদি হঠাৎ অপমৃত্যু আমায় বুকে টেনে নেয়!

ভেবে নিও বন্ধু,
কারো চোখের দৃষ্টি আমার গতিপথকে
ভালোবেসেছিলো।’

‘স্বর্গের আরেক নাম ভালোবাসা’ কি করে হয় কবিই আমাদের শিখিয়েছেন তার কবিতায়। তিনি লিখেছেন,
‘ভগবানের দিব্যি খেয়ে বলছি,
আমার কোন-
মৃত্যুভয় নেই, কোন ঈশ্বর ভয়ও নেই।

আছে শুধু,
তোমাকে চিরতরে হারানোর যত ভয়......।’
তবে এখানে একটু হোচট খেতে হয়। তার কারণ শিরোনামের সঙ্গে কবিতার বিষয়বস্তুর খুব গাঢ়তা লক্ষ্য করা যায়নি। পাঠককে কিছুটা বিভ্রান্তিতেও পড়তে হতে পারে।

কবি তার ছোট ছোট সাতটি কবিতাকে এক ফ্রেমে বেঁধেছেন ‘সাতটি কবিতা’ শিরোনামে। যথা: কবি'র প্রেমে আগুন জ্বলে, ফেরিওয়ালা, বাতাস বার্তা,  চুম্বন, প্রেমময়, কবিতার সার্জারি ও মন্ত্র। এ গুচ্ছ গুচ্ছ কবিতার প্রাণশক্তি আমাকে বিমোহিত করে। আমি বারবার উচ্চারণ করি-
‘এক মানবীর গোপনে দেওয়া-
চুম্বনের কষ্ট আজো ফেরি করি।’ (ফেরিওয়ালা)
কিংবা মনে বাজে সেই কথা-
‘অর্পিতা, বাতাসের কানে ঝুলিয়ে দিলাম, মনের মৃত্যুবার্তা!
জেনে নিও, তুমি জেনে নিও।’ (বাতাস বার্তা)
নষ্টালজিক হয়ে যাই আমিও; যখন কবি বলেন-
‘ঐ ঠোটে এখন মৌমাছির ভীড়,
চুম্বনরস অমৃত হতেই পারে।’ (চুম্বন)
পৃথিবীর সব কবির পক্ষে তিনি বললেন-
‘কবি’র মৃতদেহ বুকে জড়িয়ে কাঁদছে প্রেমিকারা!
অথচ,
অনুপ্রেরণার অভাবে ছিল কবি।’
আবার ক্ষোভের সঙ্গে এও বলতে বাধ্য হন-
‘অল্পবয়সী কবি’র পেট থেকে পয়দা হচ্ছে সার্জারিকৃত দরকচড়া কবিতা।’

‘গুমের চিতায় স্বাধীনতা’ গ্রন্থে ঘুরে ফিরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস, মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতি ঘৃণা, অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের কথা এসেছে প্রবলভাবে। কবি বলেছেন-
‘স্বাধীনতা তুই কোথায় থাকিস?
কোন দিকে তোর আনাগোনা?’ (টোকাইয়ের স্বাধীনতা)
অথবা-
‘দিন দিন গুম হয়ে যাচ্ছি...
গুম হয়ে যাচ্ছে রক্তাক্ত স্বাধীনতা।’ (গুমের সাফ কথা)
কবি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে আহ্বান জানিয়েছেন-
‘অন্ধকার। ঘুটঘুটে অন্ধকার।
মানচিত্রের গায়ে উঁকুনের উৎপাত।

কবিতার লাইনে দেশপ্রেমের আগুন নেই।’ (অল্প দেশপ্রেম)

সব মিলিয়ে সবগুলো কবিতাই প্রশংসার দাবিদার। তারপরও কিছু ত্রুটি রয়েই গেলো। হতে পারে মুদ্রণজনিত ত্রুটি। বানানের ক্ষেত্রে কবি বা প্রুফ রিডারকে আরো সচেতন হতে হবে। ছন্দ, উপমা, উৎপ্রেক্ষার যথাযথ ব্যবহার করা একান্ত বাঞ্ছনীয়। তবে আমি বাগানের ভুলের দিকে না তাকিয়ে ফুলের সৌরভেই মোহিত হয়েছি। কবিতার জয় হোক।
নাপিত
-আরিফুল ইসলাম।
একদল নাপিতের হাতে রাষ্ট্রের নাটাই !
নাপিত ইদানীং খোরটাকেই প্রাধান্য দেয়।
কবি এখন মঙ্গলগ্রহে
-আরিফুল ইসলাম।
পৃথিবী নামক গ্রহে একটি গলাছিলা রাষ্ট্রের অবস্থান।
সেই রাষ্ট্রের একটি ফরমালিনযুক্ত কবিতা শোনাবে কবি।
"গলাছিলা রাষ্ট্র " কথনটা শুনে খিলখিল হেসে মাটিতে গড়াগড়ি খায় মঙ্গল গ্রহের প্রাণীগুলো।
এ রাষ্ট্রে একদল শিক্ষিত নাপিত বাস করে,
পোষা কুকুরের মত একদল চামচাও,
আবার,
একদল বুদ্ধি বিত্রুেতাও আছে।
কেউ মানচিত্র সেলাই করে,কেউ কেউ ক্ষমতা- গরুর মাংসের মত ভাগাভাগি করে !
তবুও তারা স্যুট পরিহিত বিখ্যাত নাপিত।
এ রাষ্ট্রে প্রসব বেদনা ছাড়াই পয়দা হয়,আইন নামের গেল্লা গেল্লা ছানা !
জন্মনিয়ন্ত্রণের অভাব,ভিষণ অভাব।
কোন কমিউনিটি ক্লিনিক নেই।
ছানাগুলো,
কেউ কেউ কাজ করে,
আবার কেউ কেউ অচল পয়সার মত গড়াগড়ি খায় এ পকেট থেকে ও পকেটে।
এ রাষ্ট্রে,
মিডিয়া নামে একটা জাদুর চেরাগ আছে! ও সব পারে ।
মহাশয় আমজনতা চেরাগের জাদু দেখে দেখে,এখন আর বিশ্বাসকে সেলাই করে না ।
কবিতা শেষ না করতেই,
মঙ্গলগ্রহের একটা প্রাণী, কবি'র কাছে এগিয়ে এসে প্রশ্ন করে,
আচ্ছা কবি সাহেব, ঐ রাষ্ট্রে মানুষ ক'জন?.......
দুটি কবিতা
-আরিফুল ইসলাম।
এক.
তোমার দেওয়া,
বিবস্ত্র দুঃখগুলো আমার বুক পকেটে।
দুই.
আমার দেওয়া,
সুখগুলো রেখেছ,কোন পকেটে?
কিছু কিছু মানুষ কুকুরকে অনুকরণ করে কিন্তু কুকুর মানুষকে অনুসরণ করে মাত্র।
-আরিফুল ইসলাম ।
দামী মদ খেলেই আপনি মাতাল হবেন,
কিন্তু দেবদাস হবার কোন সুযোগ নাই।
-আরিফুল ইসলাম।
প্রতিটি সৃষ্টিশীল মানুষ-ই, এক এক জন ঈশ্বর।
-আরিফুল ইসলাম।
শব্দের সাথে শব্দের বিয়ে দিতে দিতে কেউ ক্লান্ত হয়না,সৃজনশীল হয়।
-আরিফুল ইসলাম ।
তসলিমা নাসরিনের লেখা একটা লাইনের ওজন যে নিয়ে পারেনা তার কাছেই তিনি খারাপ।
-আরিফুল ইসলাম।
মিথ্যাবাদী মানুষগুলো সব সময় চতুর হয়।
-আরিফুল ইসলাম ।
যে মানুষ অন্যের ভালো সহ্য করতে পারে না, তার রক্তের একটা দোষ আছে।
-আরিফুল ইসলাম ।
পতিতা যে সন্তান প্রসব করেছে,তাতে কয়জনের রক্ত আছে?
এটা আমি,আমরা,তোমরা ছাড়া কাউ জানেনা।
-আরিফুল ইসলাম।
আবেগ দিয়ে জীবন অতিবাহিত করে আবালরা।
-আরিফুল ইসলাম ।
যদি আমার মৃত্যুতে !
সুবিধাবঞ্চিত একজন শিশুও হাসে;
জেনে রেখো,
হাসতে হাসতে সে মৃত্যু আমি মেনে নেবো।
-আরিফুল ইসলাম।
নদীর ঘাটে গোখরা সাপ আর কিছু নারী বেশ মানানসই।
-আরিফুল ইসলাম ।
ভালো কে ভালো না বললে ঈশ্বর রেগে যান, ভালো কে খারাপ না বললে মানুষ রেগে যান।
-আরিফুল ইসলাম ।
যে সাপ দেখতে অতি সুন্দর ! সে সাপের ছোবল একটু বেশিই বিষাক্ত।
-আরিফুল ইসলাম।
 দুঃখ

ও সোনা মেয়ে তুমি দুঃখ নিওনা!
পুরুষশাসিত এ সমাজে ,
একজন তোমার জীবনকে কলঙ্কিত করে মজা নেবে!
দেখবে,
আর একজন এসে তোমার জীবনকে অলংকৃত করে মজা দেবে।

বাংলাদেশে একটি "কবি মন্ত্রণালয়" এখন সময়ের দাবী হয়ে দাঁড়িয়েছে!
এই যে এক কবি আরেক কবির পাছায় গুতা দিচ্ছে ! মানে কবির বিরুদ্ধে কবি।
এটাকে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।
াদটীকা: আগে মানুষ হও তারপর কবি ।
দলবেঁধে থাকে সব সময় ছাগল, কবিরা না।
মুই কি হনুরে কোন ভালো নীতি না।

Tuesday, February 2, 2016

বই চুরি করতে শিখেছি সেই বাল্য জীবনেই,
আমি এখনো সদা প্রস্তুত থাকি, সুযোগের অপেক্ষায় থাকি !
হ্যা আমি বই চোর!
টাকা নাই বলেই কি বই পড়া বাদ দিবো?
-আরিফুল ইসলাম।
প্রসঙ্গ : একজন মাক্কাল অগ্রজ পাঠাঁকবি আর আমি।
* কবি আবু হাসান শাহরিয়ার মূলত সোজাসাপটা কথা বলে! ঠিক আছে,
কিন্তু তার কথায় অনেক কবিই মনে ব্যথা পায়, তার কথাগুলো আমারও ভালো লাগেনা। বেশী খারাপ লাগে যখন দেখি স্ট্যাটাসে পাঁঠাকবি, কচুকবি ইত্যাদি ইত্যাদি লিখেন।
* কবি জয় গোস্বামীর কবিতায় ভালো কিছু আমি খোঁজে পাইনা! তার একটা গ্রন্থ আমি পড়েছি! দু-চার লাইন ভালো লেগেছে।
* ( একটা ছড়া তার হাতে দিলে) নাহ্ এটা ছড়ার " ছ " হয়নি! প্রথম দুই লাইন ভালো হয়েছে কিন্তু পরের দুই লাইন পড়ে গিয়েছে।
* আরিফুল ইসলাম' তুমি এত্ত বেশী অন্যের দিকে তীর ছুড়ো কেন? কে কি করছে করুক না! তুমিও দেখছি কবি আবু হাসান শাহরিয়ারের মতই! , তোমার মুখ ছোট,মানুষ ছোট তাই কথাও ছোট বলিও! (অল্প বলিও) তোমার লেখা পড়লে আমার মত অনেক লেখকই মনে মনে খুব রাগ হয় ,
তুমি জানো? সমসাময়িক যা লিখছো তা ঠিক না!
আমার উত্তর : আপনি একটা রামছাগল! আপনি কি এমন বালের কবি?
আবু হাসান শাহরিয়ার অথবা জয় গোস্বামীর কবিতার দুটি লাইন আপনার ১০টি গ্রন্থের চেয়ে হাজারগুন বেশী ওজন হবে ! এটা কি মানেন?
তাদের সম্পর্কে জানুন তারপর মন্তব্য করুন! আমি তো ঠোঁটকাটা লোক! আমি আবু হাসান শাহরিয়ার মতই ! হা হা ।
এ জন্যই আপনাকে রামছাগল বললাম অগ্রজ সরি!
অন্যায় আমার চিরশত্রু! ছাড় দিতে শিখিনি কাউকে! সে যাই হোক! আপনি যাদের কবিতা /লেখা নিয়ে গর্ব করলেন! আমার তো মনে হয় না গর্ব করলেন, গ্যালন গ্যালন তেল মারলেন তাদের পায়ে !
পাদটীকা : তার সাথে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। বয়সে আমার চেয়ে তিনগুণ বড়! আজি বুঝলাম পরচর্চা তার দারুণ নেশা।
তেলবাজ! পাঁঠাকবি উপাধি তার বেলাতেই সাজে।
অর্থ সংকট আর ভালোবাসা সংকট,
দুটোকে আমি এক প্লেটে রাখি না।
-আরিফুল ইসলাম।
যে আমাকে ভুলে গেছে! তাকে ভেবে অযথা সময় নষ্ট করিনা, যে মনে রেখেছে তাকে নিয়েই যত ভাবনা।
-আরিফুল ইসলাম।
এক জীবনে মানুষ হাজার বার প্রেমে পড়ে! কিন্তু আশ্চর্য বিষয় সে আসলে কার প্রেমে পড়ে এটাই জানেনা।
-আরিফুল ইসলাম।
স্বপ্নরা সহোদর ছিলো

-আরিফুল ইসলাম।

ওরা দশ ভাইবোন ছিলো!
স্বপ্নরা সহোদর দশ ভাইবোন ছিল।

কলেজের প্রথম বছরেই, কখন যে এক যুবতীর যৌবনের ভাজে হেরে গিয়ে!
শ্মশানে ঘুমিয়েছে ছোট ভাইটি।
তবুও তো জীবনের কাছে নত স্বীকার করেনি কবি!
কোনটার অপমৃত্যু, কোনটার সেচ্ছায় মৃত্যু আবার কোনটার বা-
বিশ্বাস ভাঙ্গা যন্ত্রনার মৃত্যু।
কবি দেখেছে,
কেঁদেছে কবি বারবার!
শেষ মৃত্যুটা না দেখার কাম্যতায়........
অপচেষ্টা
-আরিফুল ইসলাম।

সখি আমায় গিয়েছে ভুলে; সেই কবে!
অথচ,
ভুলে থাকার চেষ্টা করছি; তাকে সবে।
যে আমাকে ভুলে গেছে! তাকে ভেবে অযথা সময় নষ্ট করিনা, যে মনে রেখেছে তাকে নিয়েই যত ভাবনা।
-আরিফুল ইসলাম।
গুঁতাগুঁতি একটি মারাত্মক ব্যাধির নাম ! দেশের নীতি নির্ধারকরা যখন এ ব্যাধিকে ভালোবাসতে শুরু করেন, তখন নিজেকে বাঙালি ভাবতে লজ্জা লাগে।
-আরিফুল ইসলাম।
আমি বিদ্রোহী

রক্তে ভেজা মাটির  লৌহ উত্তাপে
বার বার গর্জে উঠছে শাহবাগ প্রজন্ম চত্বর।

রেসকোর্স ময়দানকে টপকিয়ে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আলোড়ন কে ছিটকিয়ে
একই আওয়াজে ফাঁসি-ফাঁসি ফাঁসি চাই।

মুখে তার ফুটে উঠেছে ভাষার যৌবন
উসকে আগুনের ফুলকি চোঁখ থেকে সবাঙ্গে।

যুদ্ধে যাবো মা, আরেক বার যুদ্ধে যাবো
৭১’ এর যুদ্ধে যারা রাজাকার,আলবদর
তাদের ধংস্ব করার যুদ্ধে।

আমি আজ বিদ্রোহী
রক্তে আমার বিস্ফোরিত হচ্ছে
জ্বালা মেটানোর ইচ্ছাগুলো
আমি উন্মাদ মাগো,বড্ড উন্মাদ।

কোন বাধা আজ আমি মানিনা
ওই তো প্রজন্ম চত্বর! আমাকে ডাকছে
আমি যাবো মা ।

বোনের সম্ভম ভাইয়ের রক্তের ছাপ ভুলতে পারিনি মা
আমি ভুলিনি
ওদের ফাঁসি দিয়েই ঘরে ফিরবো
ওদের ফাঁসি দিয়েই ঘরে ফিরবো  মা।

মুক্তিযোদ্ধা,পতাকা অতঃপর দেশ


বাংলার লাল সবুজের পতাকা।

বাংলার ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল মানচিত্র।

অর্জিত স্বাধীনতার সম্ভ্রমহানি!
সদ্য কোন দুপুরের; তপ্ত রৌদ্দুরে,ছায়ার আড়ালে-
কুমারীর ভ্রণ হত্যাকান্ডে একদল হায়েনা।

নত শিরে সংগীতের সুর বোবা কান্নায় উন্মাদ।
আলখাল্লা ঢিলেঢালা পোশাকে-
মুখোশধারী সার্টিফিকেট কেনা মুক্তিযোদ্ধা।

ওরা হাড্ডিসার শকুনের সহজাত!
লাল রক্তের গন্ধ,মানুষের টাটকা মাংসল দেহ-
পান ও ভোগ্য বিষয়।

কুকুরের বেশে লম্বা জিহ্বা লকলকিয়ে-
খুজেঁ ফেরে মা-বোনের শরীরের ঘ্রাণ।
অথচ,
যে পথিক আজও একচালা বস্তিতে রাত কাটিয়ে-
স্বাধীনতার স্বাদ খুঁজে ফেরে
তারই অহংকার বাংলার পতাকা
বাংলার মানচিত্র।

সেতো কান্ত পথিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা।

পথকলির বয়ান

সোনার এ স্বাধীন দেশে সিস্টেমেটিক সব চলে
মুক্তিযোদ্ধার ভাতা,বয়স্ক ভাতা, ছদ্রবেশী গরীব মানুষের জন্য-সরকারি বরাদ্দকৃত ত্রাণ !
যা পাতি নেতাদের স্বজনপ্রীতির দখলে থেকে হাওয় হয়ে যায় আমার কাছে পৌছার আগেই।

আমি কি এমন দোষ করেছি? আমি কি বন্য কোন জানুয়ারের বংশধর!
কেন আমি নেড়ে কুত্তার মত পড়ে থাকি নর্দমায়?
তোমরা তো সব পার-
মর্হাঘ্য ভাতা,টাইম স্কেল,ইনক্রিমেন্ট
ভাগ বসিয়েছি কি কোনদিন?
আমি খাদ্য চাই, নগ্ন শরীর ঢাকার জামা চাই
শান্তিতে রাত কাটানোর জন্য একটা ঘর চাই।

তোমরা তো সব পেয়ে থাকো-
ক্ষমতা, সম্মান ,প্রমোশন
তোমাদের জন্য সরকারের বরাদ্দ থাকে-
গাড়ী,বাংলো,ড্রাইভার,বাবুচি,প্রটোকল !

আমি কি তাহলে মানুষ নই?
আমার নগ্ন শরীর চেয়েছে কি কখনো-
তোমাদের এয়ারকন্ডিশনের শীতল বাতাস?
তোমাদের সব আছে-
বিধবা ভাতা,শ্রান্তি বিনোদন,সন্তানদের কোটা,উৎসব বোনাস
অথচ
সারাজীবন এসিতে বসে বেতন গোনার পরেও
পেনশন নামের টাকার ছড়াছড়ি।

আমি কি সমাজের সব সুবিধা পাওয়ার অংশিদার নই?
আমি কি চেয়েছি সরকারি কোন চেয়ার?
সমাজ বদলাতে হলে আগে আমার অধিকার দিতে হবে
দিতে হবে পথকলি ভাতা,পথকলি পেনশন,মর্হাঘ্য ভাতা-
সম্মান,বিধবা ভাতা,বয়স্ক ভাতা অথবা ত্রাণের সবটুকু অধিকার
আমার বুক আর তোমাদের বুক একই জায়গায় রাখলে দোষের কি?
আমিও তো মুক্তিযোদ্ধা!
তোমরা দেশের জন্য একবার যুদ্ধ করেছ; আর আমি যুদ্ধ করে প্রতিনিয়ত!

কালো আয়না

ওরা হায়েনার
ওরা পাকি বংশ
ওরা মানুষ্যরুপী শয়তান
ওরা সমাজের অভিশাপ।
মুখের কথায় চিড়া ভিজে না
ভেঙ্গে ফেল ওদের নাপাক মুখ।
যারা শান্তির বানী শুনায়
তারাই অশান্তির জন্মদাতা।
যে রাজনীতি গরীরের পেটে  লাথি মারে
তাড়াও সে রাজনীতি চিরতরে।
আমি অন্ধ,আমি করিনা কোন ভয়
মাগো তুমি আর কেঁদোনা-
হবেই হবে জয়।
ওরা ভন্ড
ওরা নালায়েক
ওরা শকুনের ঝাক
ওরা শিয়ালের চামচা
রাজনীতি নামে গুন্ডামি
দেশ দালালি ভন্ডামি
ওরা কুকুরের সহজাত।
ওদের আমি হত্যা করে
আবার করবো অপরাধ!!

বোনটি আমার ঘুমিয়ে থেকো
চুর্ণ করেই ফিরবো আমি
তথাকথিত রাজনীতির কালো হাত।





শিকলে বাধা এক জীবনের গল্প “জীবন শিকল”

-আরিফুল ইসলাম
কবি ও সম্পাদক


মানুষের জীবনের প্রতিটি স্তরে স্তরে অদ্ভুত এক রহস্য কনিকার সন্ধ্যান লুকায়িত অনিবার্য। রহস্যঘেরা ও বিচিত্রতার মঞ্চে মহানায়ক কতগুলো কংকালসারী মানব। রহস্যঘেরা বাস্তবের সম্মুখীন হওয়া প্রতিটি স্তর। প্রতিটি বাঁক। নব্বই দশকের তুখোড় তারুণ্যপ্রাণ নিবেদীত লেখক, গবেষক ও কথা সাহিত্যিক মুহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন তার এক অনবদ্য লেখনিতে প্রাণ সাজানোর ভঙ্গিমায় গেঁথে দিয়েছেন জীবনের প্রতিটি বাঁকের নিন্দনীয় ও উল্লসিত অস্তিত্বের দম্ভ ও উত্থান। বাস্তবমূখী জীবনের উত্থান-পতনের দুই মহানায়কের ছদ্মনামে নিপুন কলাকৌশলী কিঞ্চিৎ হাজির করেছেন জজ নূরুল ইসলাম ও কর্ণেল শংকর রেমা কে। অকপটে বলতেই হয় মনুষ্যত্ব যদি কারও মনে লুকায়িত না থাকে তাকে কি কখনো মানুষ বলা চলে? বা তাকে কি মানুষের সারিতে জায়গা দেওয়া যায়। এমনি দুটি চরিত্র তারা। গুরুগম্ভীর আর নির্ভীক খাঁটি সুতোয় যাকে বেঁধে নেওয়া যায় সহজেই তার নাম অনায়াসেই ‘ললিতা’ বলতে হবে। জ্যোৎন্সালোকের ফ্রেমে বাঁধা রাতকে কতটা মোহনীয় মায়াজালে আবদ্ধ করেছেন লেখক সত্যি তা ভীষণভাবে যেকোন পাঠকের মনকে ভাবিয়ে তুলবে এক দৃষ্টিতেই। সত্য সব সময় কোমলীয় ও সুন্দর হয় যদিও এটা পুরোনো কোন মনিষীর কথন। তার অনেক দৃষ্টান্ত প্রমাণ দিয়েছেন এই বইটিতে কবি ও কথা সাহিত্যিক মুহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন। বাংলার প্রকৃতির উপর অত্যাধুনিক যন্ত্রমানবগুলো এত্ত ভালোবাসা-লোভ-লালসা তারই এক অনবদ্য সৃষ্টি জজ নূরুল ইসলাম ও কর্ণেল শংকর রেমা ।
আমি যতবার পড়েছি লেখকের এই নন্দনীয় সৃষ্টির দার্শনিক ধাঁচের বইটির প্রতিটি লাইনের ফ্রেমে গাঁথা এক একটি রোমান্টিক ও মর্মাহত লাইন। ততবারই আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে...জাগিয়ে দিয়েছে আমার লুকায়িত সাহিত্যের দৃষ্টিপাত। বার বার  অবাক হয়ে বলতে চেয়েছি একটি সত্যিকারের সাহিত্যসাথী পেয়েছি বুঝি। লেখকের সৃষ্টির দিকে চোঁখ রাখতেই মনোযোগ গভীরে তলিয়ে গেলো “পৃথিবীতে এখন আর কেউ শব্দ করে হাসে না, কাঁদে না, মনের কথা সঠিকভাবে বলে না। সবাই নীরব হয়ে গেছে। এখন পৃথিবীতে শুধুই নীরবতা-শুধুই নীরবতা। বার বার মনের দুয়ারে হাওয়া লাগিয়ে পাতা উল্টিয়ে-পাল্টিয়ে পড়েছি তার দার্শনিক এই সুন্দরতম রহস্যঘেরা উক্তিগুলো। আর অবাক হয়েই দৌঁড়ে চলে গিয়েছি সাহিত্যাকাশের শেষ সীমানা অবদী। মাঝে মাঝে আমার অজান্তেই বিশালতম প্রশ্নের ঝড় উঠেছে মনের সাহিত্যের কোমল স্তরে। তিনি দার্শনিক, নাকি লেখক? তার লেখনিতে আমি শুধু একটাই গন্ধ অক্রিজেন হিসেবে পেয়েছি তা হলো- সুন্দর মনের সৃজনশীল সাহিত্য। সমাজ-সংসার       বাস্তবতার করিডোর প্রকৃতির চরম নেশা নির্ভেজাল নিখুঁত প্রেম বন্ধুত্বের অমরত্বের বন্ধন হঠাৎ করেই ঘটে যাওয়া জীবনের ছন্দপতন সবকিছু মিশিয়ে একাকার ও সেতু বন্ধন তৈরী করে বইটিতে এক অকল্পনীয় সুন্দরের রূপে রূপায়ন করে তুলেছেন তুখোড় কবি ও কথাসাহিত্যিক মুহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন। আর  একটি কথা না বললে অসম্পন্ন থেকে যাবে আমার মনের বাসনা তা হলো- লেখক তার বইটিতে মানব জীবনের যে ব্যর্থতা ও সাফল্যের কথাগুলো তুলে ধরেছেন তার জন্য তিনি অনেক প্রশংসার দাবিদার। অকপটে যে উপদেশ আর জীবনের ছন্দপতনের কথাগুলো লেখক লিপিবদ্ধ করেছেন তার সারমর্ম দুই কলম লিখে শেষ করার মত নয়। ছোটখাট কিছু ত্র“ুটি লক্ষণীয় হওয়া স্বত্বেও “জীবন শিকল” এক নি:শ্বাসে পড়ে ফেলার মতই একটি সুখপাঠ্য বই। বইটির সুন্দর প্রচ্ছদ এঁকেছেন, অনন্ত আকাশ, বই মেলা/১৩ইং পাল পাবলিকেশন থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। মুল্য ১০০/- টাকা মাত্র।
পাঠকদের জন্য অনুরোধ- এক কপি বই সংগ্রহে রাখুন। বদলে যাবে আপনার চিন্তাধারা।
আমি মৃতদেহ বলছি

ওখানেই দাড়াঁও।

ভাঙা ছাঁদ আর আমি পাশাপাশি ঘুমিয়ে আছি।

একটু এগোনোর চেষ্টা করলেই-
তোমার দামী কাপড়ের কাছে নাকের ছিদ্র;চুম্বকে পরিনত হবে!

ওখানেই দাড়াঁও।

আমার মেরুদন্ডের হাড়,লোহার সাথে মিতালী করেছে
তোমরা কি দেখতে পাও না?
আমি জানি তো; তোমাদের দেখার চোখগুলো নষ্ট-
রাজনীতির কাছে ধার করা!

ফুটপাত থেকে কেনা সৌখিন কাপড়,দশ টাকার সেন্ডেল
শুকাতে দিয়েছি বালুর কাছে অথবা ইটের গায়ে...





আমন্ত্রণ

জানি আমার কথাগুলো  আপনাদের  কাছে  তেতো লাগবে !
হয়ত অনেকেই আবার ভুরু কুচকিয়ে আঙুল তুলে গালি দিবেন আমায়
কেউ কেউ আবার পত্রিকায় দু‘চার পাতা লেখার জন্য হাতে কলম তুলে নিবেন
আবার কেউ অসমাপ্ত কথা রেখেই আসন ছেড়ে উঠে দাড়াঁবেন
তাতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না,আমার চোখের সাদা পর্দা আজ তুলে ফেলেছি।

প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের কাছে-
আমার কথাগুলো ভীষন খারাপ লাগতে পারে এর জন্য;
আমি স্বাধীন দেশের নাগরিক আমারও বাক স্বাধীনতা আছে।

ধর্ম নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের কে  গুড়িয়ে দিতেই এখানে এসেছি
কতবার সংবাদ পড়ে ধিক্কার জানিয়েছি কলুষিত যাযাবর এক অদূর্শ্য ধর্মকে
কতদিন টিভি খবর আমাকে মুখ লোকাতে বাধ্য করেছে মায়ের শাড়ির আচলে

আমি ধ্বংস ডেকে আনবো তাদের-
যারা ধর্মের ভাজে ভাজে লুকিয়ে রাখে ভন্ডামি,লোভ,লালসা;
দেদারছে হত্যা করে এক ভাই আরেক ভাইকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে।

মসজিদ নিয়ে কমিটির রাজনীতি,ধর্মকে পুজি করে রাজনীতি
আমি কোনকালে প্রশ্রয় দেয়নি  আর মানবোও না
ভেঙে ফেল ! তোমাদের অমসজিদের কলুষিত দেয়ালের রাজনীতিতে গাথা প্রতিটি ইট
যেখানে সিজদারত থাকে কংকালসারী কিছু অপদার্থ আর কু-চক্রি ঘূণিত মানুষ
মানুষ বললে আসল মানুষগুলো অপমান করা হয় ওরা অমানুষ,নাস্তিক।

কথাগুলো শুনে হয়ত আপনারা আমাকেই নাস্তিক ভাবতে শুরু করেছেন।

ভেঙে ফেল তোমার  অস্পষ্ট মন্দির নামের পবিত্র উপাসনালয়
যেখানে অমানুষের রাজ্যে বসবাস করে অপদার্থ, বেহায়া আর মানুষ্যরুপী কিছু শয়তান
ভগবানের নামে মাটির স্বর্গে যারা ধোয়া উড়িয়ে উড়িয়ে পাপ করেই চলেছে দিন দিন
আমি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ! কারন আমি মানুষ রুপে জন্ম নিয়েছি কুকুরের বেশে নয়
জন্মের সাত জনম আগে আমি হয়ত সনাতন অথবা পুরোহিত  ছিলাম
খ্রিস্টান হয়ত আমার প্রিয় ধর্ম ছিল অথবা বৌদ্ধ ছিলাম হয়ত
নিশ্চয় ভাবছেন, এটা কি পাগলামু  ছাড়া আর অন্য কিছু হতে পারে।

আপনারা অনুমতি দিলে আমার দেশ সম্পর্কে কিছু বলতে চাই

দেশ সর্ম্পকে বলা সাহস আমারও আছে কারণ আমি বাঙালি মায়ের বুকের দুগ্ধ পান করেছি
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙিয়েছি রাজপথ
আমার কথায় কেউ কষ্ট নিবেন না,বিন্দুমাত্র কষ্ট আমায় কণ্ঠকে থামিয়ে দিতে পারে।

আমরা আজ দূনীতি রাজ্যের রাজা অনেকেই তা আপনারা সবাই জানেন
দূনীতি হয় মূলত পযাপ্ত টাকার লোভনীয় মোহ সেটাও জানেন
আমরা গরীবরা দূনীতি কাকে বলে অনেকেই অবগত নেই
তাই দূনীতি করাটা হাস্যকর ব্যাপার ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না আমাদের কাছে।

দূনীতি করেন আপনার, আপনাদের মত কিছু অর্থলোভী অমানুষগুলো
যারা ইতোমধ্যে রাতারাতি গড়ে তুলেছেন কালো টাকার পাহাড়
যে পাহাড়ের সীমানায় আমরা সাধারন মানুষগুলো পৌছাতে পারিনা


ভেঙে ফেলুন আপনার দূনীতি প্রতিরোধ কলুষিত আইন
আগে নিজে নিজের চরকায় ভালভাবে  তেল দিতে শিখুন
আমরা কেন ষোল কোটি বাঙালি মাথা পেতে মেনে নেবে আপনার আইন
কথাগুলো শুনে হয়ত সরকারি মানুষগুলো ভাবছেন
কখন টেনে হেচড়ে আমায় জেলখানার খুপে বন্দি করে নিবেন,  তা আমি জানি
কিন্তু আপনার হয়ত জানেন না আমরা বাঙালি জীবন দিতে জানি
সহ্য করতে পারিনা অন্যায় অত্যাচার দূনীতি।

আর একটু সময় চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের কাছে
মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য আমি ভিষন ভাবে নত শিরে ক্ষমা প্রাথনা করছি
আমায় ক্ষমা করে দিবেন,আমি আপনাদের স্নেহাস্পদ একজন।

প্রতিদিন সকালে প্রত্রিকা খুললেই চমকে উঠি,দাড়িয়ে উঠে আমার শরীরের অবুঝ লোমগুলো
আমার নাবালীকা ছোট বোনকে কোন এক নরপশু  জোরপৃর্বক ধর্ষন করেছে
ধর্ষণ করেই ক্ষন্ত হয়নি,গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যাও করা হয়েছে
কেন হচ্ছে এই সব? আপনারা সব জানেন,গুপটি মেরে বসে থাকেন প্রাচিরে-
পোষা কুকুরগুলোকে বাচানোর জন্য,আমরা জানি সব
আমি আপনাদের বলছি আর বসে থাকার সময় নেই
আইনের ফাক ফোকরা দিয়ে  পশুগুলো  বার বার বেড়িয়ে পড়বেই,
আমি আরও সহজ আইনের আওতার যুক্তি আগলে দিচ্ছি
শুনে হয়ত শরীর ঝাড়া দিয়ে উঠবেন অথবা আমায় পাগল বলতেও দ্ধিধা করবেন আমি জানি
আপনাদের আদরের বোন আর ধষিত হবেনা শুনে নিন সেই নিয়ম-
যেখানে যে অবস্থায় নরপশুদের সন্ধ্যান পাবেন আক্রোশে কেটে নিন তার গোপন অঙ্গ
যেন আর কোন অবলা বোনটির উপর ঝাপিয়ে পড়ার সাহস ও ই”্ছা না পায় কোনদিন
এটাই হোক ওদের জন্য সাধারনের জন্য শ্রেষ্ঠ আইন।
যা বলছি ভেবে দেখুন আপনার আর একটা বোন হয়ত বেচে যাবে ওদের হাত থেকে।

জানি কথাগুলো শুনে বিরক্ত বোধ করছেন অনেকেই
আবার অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন মনে মনে...
আপনার বলতে পারেন কি? আমরা সাধারন  মানূষগুলো কেন আপনাদের জন্য
কুকুরের মত মরে রাস্তায় পড়ে থাকবো, কেন?
সিংহাসন ছেড়ে উঠে দাড়ান! ভালবাসুন আমাদের মত সাধারন মানুষগুলো কে
সিংহাসন আগলে রাখার কোন প্রয়োজন আমি বোধ করি না
কারণ সিংহাসনটা আপনাদের জন্য নয় ওটা সাধারনের।
আরিফের কবিতায় প্রেম ও স্বাধীনতা

সালাহ উদ্দিন মাহমুদ

তরুণ কবি আরিফুল ইসলামের কবিতা সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। চিরসংগ্রামী ব্যক্তি আরিফ ও চিরস্বপ্নচারী কবি আরিফ কখনো কখনো একসুতোয় বাঁধা পড়েন অবলীলায়। তার তীর্যক প্রতিবাদ, শ্লেষ ও হতাশার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যায় কবিতায়।

কবি আরিফুল ইসলামের চতুর্থ গ্রন্থ ‘গুমের চিতায় স্বাধীনতা’ ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রকাশিত হয়েছে। মৌমিতা সেন থেকে হালের পথকলি, নির্যাতিত বোন, স্বদেশরক্ষাকারী অবহেলিত যোদ্ধা ও ব্যর্থ প্রেমিক কিংবা কবির প্রতিমূর্তি প্রতিফলিত হয়েছে বইটিতে।

চারুপিন্টুর প্রচ্ছদে চমৎকার এ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেছে আলোকবর্তিকা প্রকাশনী। গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে লন্ডন প্রবাসী বিশিষ্ট কবি ও গীতিকার ওয়াহিদ জালাল ও কবির আদরের ছোট ভাই ফারুক হোসেনকে।

কবির কবিতার মধ্যে ‘মৌমিতা সেনরা সেদিন সংখ্যালঘু ছিল না’, ‘নিষিদ্ধ পল্লীর অনুভূতি’, ‘পৃথিবীর পথে’, ‘মাথা মোটা বাঙালি’, ‘টোকাইয়ের স্বাধীনতা’, ‘মা আছে বলেই কবি বেঁচে থাকে’, ‘পরাজিত স্বপ্নগুলো’, ‘শেষ লেখা’, ‘শূন্য’, ‘স্বর্গের আরেক নাম ভালোবাসা’ ও ‘সাতটি কবিতা’ বেশ ভালো লেগেছে। পাঠককে স্মৃতিতাড়িত করবার মতো কবিতা এগুলো। যেগুলোর নাম নিতে পারিনি, তার মানে এই নয়যে, তা পাঠযোগ্য নয় কিংবা অবহেলিত। এ কেবল আমার দৃষ্টিভঙ্গি। অনেকেরই হয়তো অন্যান্য কবিতাও ভালো লাগবে। মূলত কোনো কবির কোন কবিতা কোন পাঠকের ভালো লাগবে এটা কবিও জানেন না। জানেন না পাঠক নিজেও। হয়তো পড়তে পড়তে কোনকালে মোহাবিষ্ট হয়ে পড়েন কবিতার কথাগুলোর ওপর।

শেষ লেখায় কবি বলেছেন,
‘আজ অনেকদিন পর, উলঙ্গ পা-দু’টো মাটিকে স্পর্শ করেছে! একদিন হয়তো,
উলঙ্গ শরীরটাকেই স্পর্শ করবে মাটি।’
কবির বোধ পাঠককে ভাবনার অতলে নিয়ে যায়। ফিরে এসে রয়ে যায় দীর্ঘশ্বাস। কেন যে তিনি শেষ লেখা লিখলেন তা হয়তো কবিই বলতে পারবেন। আমি কবির মধ্যে অপার সম্ভাবনা দেখি। বেঁচে থাকার অনেক উপলক্ষ্য দেখি, যথেষ্ট কারণও দেখি।

কবি আরিফুল ইসলাম তার ‘শূন্য’ কবিতাটি উৎসর্গ করেছেন ‘বন্ধু নিলয় নীল’কে। কবির ভাষায়-
‘যদি হঠাৎ অপমৃত্যু আমায় বুকে টেনে নেয়!

ভেবে নিও বন্ধু,
কারো চোখের দৃষ্টি আমার গতিপথকে
ভালোবেসেছিলো।’

‘স্বর্গের আরেক নাম ভালোবাসা’ কি করে হয় কবিই আমাদের শিখিয়েছেন তার কবিতায়। তিনি লিখেছেন,
‘ভগবানের দিব্যি খেয়ে বলছি,
আমার কোন-
মৃত্যুভয় নেই, কোন ঈশ্বর ভয়ও নেই।

আছে শুধু,
তোমাকে চিরতরে হারানোর যত ভয়......।’
তবে এখানে একটু হোচট খেতে হয়। তার কারণ শিরোনামের সঙ্গে কবিতার বিষয়বস্তুর খুব গাঢ়তা লক্ষ্য করা যায়নি। পাঠককে কিছুটা বিভ্রান্তিতেও পড়তে হতে পারে।

কবি তার ছোট ছোট সাতটি কবিতাকে এক ফ্রেমে বেঁধেছেন ‘সাতটি কবিতা’ শিরোনামে। যথা: কবি'র প্রেমে আগুন জ্বলে, ফেরিওয়ালা, বাতাস বার্তা,  চুম্বন, প্রেমময়, কবিতার সার্জারি ও মন্ত্র। এ গুচ্ছ গুচ্ছ কবিতার প্রাণশক্তি আমাকে বিমোহিত করে। আমি বারবার উচ্চারণ করি-
‘এক মানবীর গোপনে দেওয়া-
চুম্বনের কষ্ট আজো ফেরি করি।’ (ফেরিওয়ালা)
কিংবা মনে বাজে সেই কথা-
‘অর্পিতা, বাতাসের কানে ঝুলিয়ে দিলাম, মনের মৃত্যুবার্তা!
জেনে নিও, তুমি জেনে নিও।’ (বাতাস বার্তা)
নষ্টালজিক হয়ে যাই আমিও; যখন কবি বলেন-
‘ঐ ঠোটে এখন মৌমাছির ভীড়,
চুম্বনরস অমৃত হতেই পারে।’ (চুম্বন)
পৃথিবীর সব কবির পক্ষে তিনি বললেন-
‘কবি’র মৃতদেহ বুকে জড়িয়ে কাঁদছে প্রেমিকারা!
অথচ,
অনুপ্রেরণার অভাবে ছিল কবি।’
আবার ক্ষোভের সঙ্গে এও বলতে বাধ্য হন-
‘অল্পবয়সী কবি’র পেট থেকে পয়দা হচ্ছে সার্জারিকৃত দরকচড়া কবিতা।’

‘গুমের চিতায় স্বাধীনতা’ গ্রন্থে ঘুরে ফিরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস, মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতি ঘৃণা, অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের কথা এসেছে প্রবলভাবে। কবি বলেছেন-
‘স্বাধীনতা তুই কোথায় থাকিস?
কোন দিকে তোর আনাগোনা?’ (টোকাইয়ের স্বাধীনতা)
অথবা-
‘দিন দিন গুম হয়ে যাচ্ছি...
গুম হয়ে যাচ্ছে রক্তাক্ত স্বাধীনতা।’ (গুমের সাফ কথা)
কবি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে আহ্বান জানিয়েছেন-
‘অন্ধকার। ঘুটঘুটে অন্ধকার।
মানচিত্রের গায়ে উঁকুনের উৎপাত।

কবিতার লাইনে দেশপ্রেমের আগুন নেই।’ (অল্প দেশপ্রেম)

সব মিলিয়ে সবগুলো কবিতাই প্রশংসার দাবিদার। তারপরও কিছু ত্রুটি রয়েই গেলো। হতে পারে মুদ্রণজনিত ত্রুটি। বানানের ক্ষেত্রে কবি বা প্রুফ রিডারকে আরো সচেতন হতে হবে। ছন্দ, উপমা, উৎপ্রেক্ষার যথাযথ ব্যবহার করা একান্ত বাঞ্ছনীয়। তবে আমি বাগানের ভুলের দিকে না তাকিয়ে ফুলের সৌরভেই মোহিত হয়েছি। কবিতার জয় হোক।
 
আমি ভাবছি না ! দেশ আমায় ভাবাচ্ছে


কালো হাতিয়ারের মুখ দিয়ে বেরোচ্ছে-
পারমানবিক কবিতার লাইন।

দিন দিন ঝলসে যাচ্ছে স্বপ্নে দেখা বাংলার মানচিত্র!

পড়ার টেবিলে গড়াগড়ি খাচ্ছে,বিদেশী পর্নোগ্রাফী গাদিগাদি বই।

অফিসের সেলফোনে বেজে উঠে নর্তকীর নৃত্যের সুর।

আড্ডার সীমানা যুগের সাথে তাল মিলাতে হিমশিম খাচ্ছে।

আদরের সুন্দরী ছোট মেয়েটা ইদানিং বাসায় ফিরেই আমাকে-
চেচিয়ে যাচ্ছে।

কতগুলো কুত্তার দল নাকি রাস্তার পাশে চা ষ্টলে বসে ঘেউ ঘেউ করেই চলেছে।

ছেলেটা বলে যাচ্ছে। আমি শুনছি। টাকার অংক শুনে আমি অবাক হচ্ছি না।

ওর চাকরীর সুবাদে আমলারা যে টাকার অংক বলেছে। সেটাই অবাক করে দিচ্ছে।

আমি শুনে যাচ্ছি। দেখে যাচ্ছি কিভাবে স্বাধীনতা কাঁদে।

কিভাবে কলংকিত হয় বাংলার মানচিত্র। পত্রিকা পড়ে যাচ্ছি।
টিভির অবয়বে খবরের মিথ্যা হেড লাইন দেখছি।

আমি ভাবছি না । দেশ আমায় ভাবাচ্ছে।

দিন দিন তুচ্ছ হচ্ছে, গুম, ধর্ষণ,ছিনতাই,বোমাবাজি অথবা নারীবাজি!...


মৌমিতা সেনরা সেদিন সংখ্যালঘু ছিল না

কোন এক রাতের গল্প।

গ্রীণ রোডের ১০১ নং বাসার গেইট।

কালো চাদর আর শর্টগান আমার শরীরের আত্মীয়-
প্রিয় সহযোদ্ধা তমাল, ওর আদরের ছোট বোন মৌমিতা সেন;
আমার টিলেটালা শরীর দেখেই বুঝে ফেলত।

অথচ সেদিন,
আমার প্রবেশ তমালের চোখে ধরা পড়েনি
ধরা পড়েনি মৌমিতা সেনেরও!
দ্বিতীয় দরজায় পাশ্বেই হেলান দিয়ে-
বোবার মত দাঁড়িয়ে ছিল তমাল।

মৌমিতা সেন!!

ভগবানের ডাকে তখনো সাড়া দেয়নি!
টলটলে ফুলের মধু লুটেছে বিষাক্ত মৌমাছির দল।

রুমের মেঝেতে পড়ে থাকা তার অর্ধনগ্ন -
দেহটা আমি প্রথম স্পর্শ করি;
ও লজ্জায় লাল হয়নি, “তুমি দারুন বেহায়া”
এমনটিও বলেনি আঙুল উচিঁয়ে।

যৌবনে ভরপুর নিথর দেহটা-
আমার কোলে সপে দিয়েছিল,
সেকি ভালবাসার অধিকারে?

অনুভূতিহীন এই আমি;
কাকা আর কাকিমার গুলিবিদ্ধ দেহে-
দেখেছি; বাংলার লাল সবুজের মানচিত্র।

তমালের পাঁজর ভাঙ্গা শব্দ শুনিনি আমি!
শুনেনি কেউ।

মৌমিতা সেনরা সংখ্যালঘু ছিলনা।
তবে এরা কারা?

কিছু কথা

সাহিত্যের নতুন অধ্যায়ের জন্ম দেওয়ারই একজন কবির কাজ । -আরিফুল ইসলাম ।

Blog Archive

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ফেসবুক