আমন্ত্রণ
জানি আমার কথাগুলো আপনাদের কাছে তেতো লাগবে !
হয়ত অনেকেই আবার ভুরু কুচকিয়ে আঙুল তুলে গালি দিবেন আমায়
কেউ কেউ আবার পত্রিকায় দু‘চার পাতা লেখার জন্য হাতে কলম তুলে নিবেন
আবার কেউ অসমাপ্ত কথা রেখেই আসন ছেড়ে উঠে দাড়াঁবেন
তাতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না,আমার চোখের সাদা পর্দা আজ তুলে ফেলেছি।
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের কাছে-
আমার কথাগুলো ভীষন খারাপ লাগতে পারে এর জন্য;
আমি স্বাধীন দেশের নাগরিক আমারও বাক স্বাধীনতা আছে।
ধর্ম নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের কে গুড়িয়ে দিতেই এখানে এসেছি
কতবার সংবাদ পড়ে ধিক্কার জানিয়েছি কলুষিত যাযাবর এক অদূর্শ্য ধর্মকে
কতদিন টিভি খবর আমাকে মুখ লোকাতে বাধ্য করেছে মায়ের শাড়ির আচলে
আমি ধ্বংস ডেকে আনবো তাদের-
যারা ধর্মের ভাজে ভাজে লুকিয়ে রাখে ভন্ডামি,লোভ,লালসা;
দেদারছে হত্যা করে এক ভাই আরেক ভাইকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে।
মসজিদ নিয়ে কমিটির রাজনীতি,ধর্মকে পুজি করে রাজনীতি
আমি কোনকালে প্রশ্রয় দেয়নি আর মানবোও না
ভেঙে ফেল ! তোমাদের অমসজিদের কলুষিত দেয়ালের রাজনীতিতে গাথা প্রতিটি ইট
যেখানে সিজদারত থাকে কংকালসারী কিছু অপদার্থ আর কু-চক্রি ঘূণিত মানুষ
মানুষ বললে আসল মানুষগুলো অপমান করা হয় ওরা অমানুষ,নাস্তিক।
কথাগুলো শুনে হয়ত আপনারা আমাকেই নাস্তিক ভাবতে শুরু করেছেন।
ভেঙে ফেল তোমার অস্পষ্ট মন্দির নামের পবিত্র উপাসনালয়
যেখানে অমানুষের রাজ্যে বসবাস করে অপদার্থ, বেহায়া আর মানুষ্যরুপী কিছু শয়তান
ভগবানের নামে মাটির স্বর্গে যারা ধোয়া উড়িয়ে উড়িয়ে পাপ করেই চলেছে দিন দিন
আমি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ! কারন আমি মানুষ রুপে জন্ম নিয়েছি কুকুরের বেশে নয়
জন্মের সাত জনম আগে আমি হয়ত সনাতন অথবা পুরোহিত ছিলাম
খ্রিস্টান হয়ত আমার প্রিয় ধর্ম ছিল অথবা বৌদ্ধ ছিলাম হয়ত
নিশ্চয় ভাবছেন, এটা কি পাগলামু ছাড়া আর অন্য কিছু হতে পারে।
আপনারা অনুমতি দিলে আমার দেশ সম্পর্কে কিছু বলতে চাই
দেশ সর্ম্পকে বলা সাহস আমারও আছে কারণ আমি বাঙালি মায়ের বুকের দুগ্ধ পান করেছি
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙিয়েছি রাজপথ
আমার কথায় কেউ কষ্ট নিবেন না,বিন্দুমাত্র কষ্ট আমায় কণ্ঠকে থামিয়ে দিতে পারে।
আমরা আজ দূনীতি রাজ্যের রাজা অনেকেই তা আপনারা সবাই জানেন
দূনীতি হয় মূলত পযাপ্ত টাকার লোভনীয় মোহ সেটাও জানেন
আমরা গরীবরা দূনীতি কাকে বলে অনেকেই অবগত নেই
তাই দূনীতি করাটা হাস্যকর ব্যাপার ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না আমাদের কাছে।
দূনীতি করেন আপনার, আপনাদের মত কিছু অর্থলোভী অমানুষগুলো
যারা ইতোমধ্যে রাতারাতি গড়ে তুলেছেন কালো টাকার পাহাড়
যে পাহাড়ের সীমানায় আমরা সাধারন মানুষগুলো পৌছাতে পারিনা
ভেঙে ফেলুন আপনার দূনীতি প্রতিরোধ কলুষিত আইন
আগে নিজে নিজের চরকায় ভালভাবে তেল দিতে শিখুন
আমরা কেন ষোল কোটি বাঙালি মাথা পেতে মেনে নেবে আপনার আইন
কথাগুলো শুনে হয়ত সরকারি মানুষগুলো ভাবছেন
কখন টেনে হেচড়ে আমায় জেলখানার খুপে বন্দি করে নিবেন, তা আমি জানি
কিন্তু আপনার হয়ত জানেন না আমরা বাঙালি জীবন দিতে জানি
সহ্য করতে পারিনা অন্যায় অত্যাচার দূনীতি।
আর একটু সময় চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের কাছে
মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য আমি ভিষন ভাবে নত শিরে ক্ষমা প্রাথনা করছি
আমায় ক্ষমা করে দিবেন,আমি আপনাদের স্নেহাস্পদ একজন।
প্রতিদিন সকালে প্রত্রিকা খুললেই চমকে উঠি,দাড়িয়ে উঠে আমার শরীরের অবুঝ লোমগুলো
আমার নাবালীকা ছোট বোনকে কোন এক নরপশু জোরপৃর্বক ধর্ষন করেছে
ধর্ষণ করেই ক্ষন্ত হয়নি,গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যাও করা হয়েছে
কেন হচ্ছে এই সব? আপনারা সব জানেন,গুপটি মেরে বসে থাকেন প্রাচিরে-
পোষা কুকুরগুলোকে বাচানোর জন্য,আমরা জানি সব
আমি আপনাদের বলছি আর বসে থাকার সময় নেই
আইনের ফাক ফোকরা দিয়ে পশুগুলো বার বার বেড়িয়ে পড়বেই,
আমি আরও সহজ আইনের আওতার যুক্তি আগলে দিচ্ছি
শুনে হয়ত শরীর ঝাড়া দিয়ে উঠবেন অথবা আমায় পাগল বলতেও দ্ধিধা করবেন আমি জানি
আপনাদের আদরের বোন আর ধষিত হবেনা শুনে নিন সেই নিয়ম-
যেখানে যে অবস্থায় নরপশুদের সন্ধ্যান পাবেন আক্রোশে কেটে নিন তার গোপন অঙ্গ
যেন আর কোন অবলা বোনটির উপর ঝাপিয়ে পড়ার সাহস ও ই”্ছা না পায় কোনদিন
এটাই হোক ওদের জন্য সাধারনের জন্য শ্রেষ্ঠ আইন।
যা বলছি ভেবে দেখুন আপনার আর একটা বোন হয়ত বেচে যাবে ওদের হাত থেকে।
জানি কথাগুলো শুনে বিরক্ত বোধ করছেন অনেকেই
আবার অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন মনে মনে...
আপনার বলতে পারেন কি? আমরা সাধারন মানূষগুলো কেন আপনাদের জন্য
কুকুরের মত মরে রাস্তায় পড়ে থাকবো, কেন?
সিংহাসন ছেড়ে উঠে দাড়ান! ভালবাসুন আমাদের মত সাধারন মানুষগুলো কে
সিংহাসন আগলে রাখার কোন প্রয়োজন আমি বোধ করি না
কারণ সিংহাসনটা আপনাদের জন্য নয় ওটা সাধারনের।
জানি আমার কথাগুলো আপনাদের কাছে তেতো লাগবে !
হয়ত অনেকেই আবার ভুরু কুচকিয়ে আঙুল তুলে গালি দিবেন আমায়
কেউ কেউ আবার পত্রিকায় দু‘চার পাতা লেখার জন্য হাতে কলম তুলে নিবেন
আবার কেউ অসমাপ্ত কথা রেখেই আসন ছেড়ে উঠে দাড়াঁবেন
তাতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না,আমার চোখের সাদা পর্দা আজ তুলে ফেলেছি।
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের কাছে-
আমার কথাগুলো ভীষন খারাপ লাগতে পারে এর জন্য;
আমি স্বাধীন দেশের নাগরিক আমারও বাক স্বাধীনতা আছে।
ধর্ম নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের কে গুড়িয়ে দিতেই এখানে এসেছি
কতবার সংবাদ পড়ে ধিক্কার জানিয়েছি কলুষিত যাযাবর এক অদূর্শ্য ধর্মকে
কতদিন টিভি খবর আমাকে মুখ লোকাতে বাধ্য করেছে মায়ের শাড়ির আচলে
আমি ধ্বংস ডেকে আনবো তাদের-
যারা ধর্মের ভাজে ভাজে লুকিয়ে রাখে ভন্ডামি,লোভ,লালসা;
দেদারছে হত্যা করে এক ভাই আরেক ভাইকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে।
মসজিদ নিয়ে কমিটির রাজনীতি,ধর্মকে পুজি করে রাজনীতি
আমি কোনকালে প্রশ্রয় দেয়নি আর মানবোও না
ভেঙে ফেল ! তোমাদের অমসজিদের কলুষিত দেয়ালের রাজনীতিতে গাথা প্রতিটি ইট
যেখানে সিজদারত থাকে কংকালসারী কিছু অপদার্থ আর কু-চক্রি ঘূণিত মানুষ
মানুষ বললে আসল মানুষগুলো অপমান করা হয় ওরা অমানুষ,নাস্তিক।
কথাগুলো শুনে হয়ত আপনারা আমাকেই নাস্তিক ভাবতে শুরু করেছেন।
ভেঙে ফেল তোমার অস্পষ্ট মন্দির নামের পবিত্র উপাসনালয়
যেখানে অমানুষের রাজ্যে বসবাস করে অপদার্থ, বেহায়া আর মানুষ্যরুপী কিছু শয়তান
ভগবানের নামে মাটির স্বর্গে যারা ধোয়া উড়িয়ে উড়িয়ে পাপ করেই চলেছে দিন দিন
আমি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ! কারন আমি মানুষ রুপে জন্ম নিয়েছি কুকুরের বেশে নয়
জন্মের সাত জনম আগে আমি হয়ত সনাতন অথবা পুরোহিত ছিলাম
খ্রিস্টান হয়ত আমার প্রিয় ধর্ম ছিল অথবা বৌদ্ধ ছিলাম হয়ত
নিশ্চয় ভাবছেন, এটা কি পাগলামু ছাড়া আর অন্য কিছু হতে পারে।
আপনারা অনুমতি দিলে আমার দেশ সম্পর্কে কিছু বলতে চাই
দেশ সর্ম্পকে বলা সাহস আমারও আছে কারণ আমি বাঙালি মায়ের বুকের দুগ্ধ পান করেছি
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙিয়েছি রাজপথ
আমার কথায় কেউ কষ্ট নিবেন না,বিন্দুমাত্র কষ্ট আমায় কণ্ঠকে থামিয়ে দিতে পারে।
আমরা আজ দূনীতি রাজ্যের রাজা অনেকেই তা আপনারা সবাই জানেন
দূনীতি হয় মূলত পযাপ্ত টাকার লোভনীয় মোহ সেটাও জানেন
আমরা গরীবরা দূনীতি কাকে বলে অনেকেই অবগত নেই
তাই দূনীতি করাটা হাস্যকর ব্যাপার ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না আমাদের কাছে।
দূনীতি করেন আপনার, আপনাদের মত কিছু অর্থলোভী অমানুষগুলো
যারা ইতোমধ্যে রাতারাতি গড়ে তুলেছেন কালো টাকার পাহাড়
যে পাহাড়ের সীমানায় আমরা সাধারন মানুষগুলো পৌছাতে পারিনা
ভেঙে ফেলুন আপনার দূনীতি প্রতিরোধ কলুষিত আইন
আগে নিজে নিজের চরকায় ভালভাবে তেল দিতে শিখুন
আমরা কেন ষোল কোটি বাঙালি মাথা পেতে মেনে নেবে আপনার আইন
কথাগুলো শুনে হয়ত সরকারি মানুষগুলো ভাবছেন
কখন টেনে হেচড়ে আমায় জেলখানার খুপে বন্দি করে নিবেন, তা আমি জানি
কিন্তু আপনার হয়ত জানেন না আমরা বাঙালি জীবন দিতে জানি
সহ্য করতে পারিনা অন্যায় অত্যাচার দূনীতি।
আর একটু সময় চেয়ে নিচ্ছি আপনাদের কাছে
মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য আমি ভিষন ভাবে নত শিরে ক্ষমা প্রাথনা করছি
আমায় ক্ষমা করে দিবেন,আমি আপনাদের স্নেহাস্পদ একজন।
প্রতিদিন সকালে প্রত্রিকা খুললেই চমকে উঠি,দাড়িয়ে উঠে আমার শরীরের অবুঝ লোমগুলো
আমার নাবালীকা ছোট বোনকে কোন এক নরপশু জোরপৃর্বক ধর্ষন করেছে
ধর্ষণ করেই ক্ষন্ত হয়নি,গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যাও করা হয়েছে
কেন হচ্ছে এই সব? আপনারা সব জানেন,গুপটি মেরে বসে থাকেন প্রাচিরে-
পোষা কুকুরগুলোকে বাচানোর জন্য,আমরা জানি সব
আমি আপনাদের বলছি আর বসে থাকার সময় নেই
আইনের ফাক ফোকরা দিয়ে পশুগুলো বার বার বেড়িয়ে পড়বেই,
আমি আরও সহজ আইনের আওতার যুক্তি আগলে দিচ্ছি
শুনে হয়ত শরীর ঝাড়া দিয়ে উঠবেন অথবা আমায় পাগল বলতেও দ্ধিধা করবেন আমি জানি
আপনাদের আদরের বোন আর ধষিত হবেনা শুনে নিন সেই নিয়ম-
যেখানে যে অবস্থায় নরপশুদের সন্ধ্যান পাবেন আক্রোশে কেটে নিন তার গোপন অঙ্গ
যেন আর কোন অবলা বোনটির উপর ঝাপিয়ে পড়ার সাহস ও ই”্ছা না পায় কোনদিন
এটাই হোক ওদের জন্য সাধারনের জন্য শ্রেষ্ঠ আইন।
যা বলছি ভেবে দেখুন আপনার আর একটা বোন হয়ত বেচে যাবে ওদের হাত থেকে।
জানি কথাগুলো শুনে বিরক্ত বোধ করছেন অনেকেই
আবার অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন মনে মনে...
আপনার বলতে পারেন কি? আমরা সাধারন মানূষগুলো কেন আপনাদের জন্য
কুকুরের মত মরে রাস্তায় পড়ে থাকবো, কেন?
সিংহাসন ছেড়ে উঠে দাড়ান! ভালবাসুন আমাদের মত সাধারন মানুষগুলো কে
সিংহাসন আগলে রাখার কোন প্রয়োজন আমি বোধ করি না
কারণ সিংহাসনটা আপনাদের জন্য নয় ওটা সাধারনের।

0 মন্তব্য:
Post a Comment