Saturday, February 6, 2016

বিদ্রোহীর অনল-২

- আরিফুল ইসলাম


ধর্ম নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের কে গুড়িয়ে দিতেই এখানে এসেছি
কতবার সংবাদ পড়ে ধিক্কার জানিয়েছি কলুষিত যাযাবর এক অদূর্শ্য ধর্মকে
কতদিন টিভি খবর আমাকে মুখ লোকাতে বাধ্য করেছে মায়ের শাড়ির আচলে
আমি ধ্বংস ডেকে আনবো তাদের-
যারা ধর্মের ভাজে ভাজে লুকিয়ে রাখে ভন্ডামি,লোভ,লালসা;
দেদারছে হত্যা করে এক ভাই আরেক ভাইকে খুচিয়ে খুচিয়ে।
দাড়িঁ নবীর সুন্নত ,রাখুন দাড়ি যত বড় ইচ্ছা করে আপনাদের
আমি অনুরোধ করবো,কখনো যেন সেই দাড়ির নিচে দেশ ধ্বংসের নীল নকশা না থাকে।
মানি না আমি মানিনা সেই ধর্ম। আমার ধর্ম ইসলাম। অর্থ আপনারা সবাই অবগত আছেন “শান্তি”
আমি মানিনা অশান্তির কোন ধর্ম নামের অধর্মকে।
মসজিদ নিয়ে কমিটির রাজনীতি,ধর্মকে পুজি করে রাজনীতি
আমি কোনকালে প্রশয় দেয়নি আর মানবোও না
ভেঙে ফেল তোমাদের অমসজিদের কলুষিত দেয়ালের রাজনীতিতে গাথা প্রতিটি ইট
যেখানে সিজদারত থাকে কংকালসারী কিছু অপদার্থ আর কু-চক্রি ঘূণিত মানুষ
মানুষ বললে আসল মানুষগুলো অপমান করা হয় ওরা অমানুষ,নাস্তিক।
কথাগুলো শুনে হয়ত আপনারা আমাকেই নাস্তিক ভাবতে শুরু করেছেন
এটা অস্বাভাবিক হবার মত কিছুই নয়!
সত্য কথা সব সময়ের জন্য মিষ্টি লাগে না তিতাই হয়।
ভেঙে ফেল তোমার অস্পষ্ট মন্দির নামের পবিত্র উপাসনালয়
যেখানে অমানুষের রাজ্যে বসবাস করে অপদার্থ, বেহায়া আর মানুষ্যরুপী কিছু শয়তান
ভগবানের নামে মাটির স্বর্গে যারা ধোয়া উড়িয়ে উড়িয়ে পাপ করেই চলেছে দিন দিন
আমি হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ! কারন আমি মানুষ রুপে জন্ম নিয়েছি কুকুরের বেশে নয়
জন্মের সাত জনম আগে আমি হয়ত সনাতন অথবা পুরোহিত ছিলাম
খ্রিস্টান হয়ত আমার প্রিয় ধর্ম ছিল অথবা বৌদ্ধ ছিলাম হয়ত।
নিশ্চয় ভাবছেন, এটা কি পাগলামু ছাড়া আর অন্য কিছু হতে পারে।
আমরা আজ দূনীতি রাজ্যের রাজা অনেকেই তা আপনারা সবাই জানেন
দূনীতি হয় মূলত পযাপ্ত টাকার লোভনীয় মোহ সেটাও জানেন
আমরা গরীবরা দূনীতি কাকে বলে অনেকেই অবগত নেই
তাই দূনীতি করাটা হাস্যকর ব্যাপার ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না আমাদের কাছে।
দূনীতি করেন আপনার, আপনাদের মত কিছু অর্থলোভী অমানুষগুলো
যারা ইতোমধ্যে রাতারাতি গড়ে তুলেছেন কালো টাকার পাহাড়
যে পাহাড়ের সীমানায় আমরা সাধারন মানুষগুলো পৌছাতে পারিনা
ভেঙে ফেলুন আপনার দূনীতি প্রতিরোধ কলুষিত আইন
আগে নিজে নিজের চরকায় ভালভাবে তেল দিতে শিখুন
আমরা কেন ? ষোল কোটি বাঙালি মাথা পেতে মেনে নেবে আপনার আইন
কথাগুলো শুনে হয়ত সরকারি মানুষগুলো ভাবছেন
কখন টেনে হেচড়ে আমায় জেলখানার খুপে বন্দি করে নিবেন, তা আমি জানি
কিন্তু আপনার হয়ত জানেন না আমরা বাঙালি জীবন দিতে জানি
সহ্য করতে পারিনা অন্যায় অত্যাচার দূনীতি।
প্রতিদিন সকালে প্রত্রিকা খুললেই চমকে উঠি,দাড়িয়ে উঠে আমার শরীরের অবুঝ লোমগুলো
আমার নাবালীকা ছোট বোনকে কোন এক নরপশু জোরপৃর্বক ধর্ষন করেছে
ধর্ষণ করেই ক্ষন্ত হয়নি,গলায় ওড়না পেচিয়ে হত্যাও করা হয়েছে
কেন হচ্ছে এই সব? আপনারা সব জানেন,গুপটি মেরে বসে থাকেন প্রাচিরে-
পোষা কুকুরগুলোকে বাচানোর জন্য,আমরা জানি সব
আইনের ফাক ফোকরা দিয়ে পশুগুলো বার বার বেড়িয়ে পড়বেই,
আমি আরও সহজ আইনের আওতার যুক্তি আগলে দিচ্ছি
শুনে হয়ত শরীর ঝাড়া দিয়ে উঠবেন অথবা আমায় পাগল বলতেও দ্ধিধা করবেন আমি জানি
আপনাদের আদরের বোন আর ধষিত হবেনা শুনে নিন সেই নিয়ম-
যেখানে যে অবস্থায় নরপশুদের সন্ধ্যান পাবেন আক্রোশে কেটে নিন তার গোপন অঙ্গ
যেন আর কোন অবলা বোনটির উপর ঝাপিয়ে পড়ার সাহস ও ই”্ছা না পায় কোনদিন
এটাই হোক ওদের জন্য সাধারনের জন্য শ্রেষ্ঠ আইন।
আপনার বলতে পারেন কি? আমরা সাধারন মানূষগুলো কেন আপনাদের জন্য
কুকুরের মত মরে রাস্তায় পড়ে থাকবো
সিংহাসন ছেড়ে উঠে দাড়ান! ভালবাসুন আমাদের মত সাধারন মানুষগুলো কে
সিংহাসন আগলে রাখার কোন প্রয়োজন আমি বোধ করি না
কারণ সিংহাসনটা আপনাদের জন্য নয় ওটা সাধারনের।

0 মন্তব্য:

Post a Comment

কিছু কথা

সাহিত্যের নতুন অধ্যায়ের জন্ম দেওয়ারই একজন কবির কাজ । -আরিফুল ইসলাম ।

Blog Archive

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ফেসবুক