ভাষার
গায়ে বারুদের গন্ধ ছিল সেদিন
-আরিফুল
ইসলাম ।
খোলা আকাশের বিগ্রহময়
বিজয়ের লোহিত
রেখা চিক
চিক করছে।
আশুগের বীচিতে ক্ষণে
ক্ষণে ভেসে
আসছে- ছালাম,
বরকত, রফিক,
জব্বারের আগুনমাখা
স্লোগান।
উনিশশ’ সাতচলিশ!
করাচি শিক্ষা সম্মেলনে ভাষাকে বাঁচানোর জন্য যেভাবে প্রতিবাদের সর্বশুচি দাউ দাউ করে জ্বলছিল।
সেটা দিনকে দিন
রূপ নিচ্ছে
পেট্রোলে অম্বু
মেশানোর মতই।
কনকনে শীতের স্তব্ধ সকাল। শহীদুল্লাহ হলের পুকুরটায় যেন বারুদ বুঁদবুঁদ খেলা করছে।
সাগর, আজিজ, রাজা, রতন কোরা গেঞ্জি গায়ে দৌড়াদৌড়ি করছে।
কনকনে শীতের স্তব্ধ সকাল। শহীদুল্লাহ হলের পুকুরটায় যেন বারুদ বুঁদবুঁদ খেলা করছে।
সাগর, আজিজ, রাজা, রতন কোরা গেঞ্জি গায়ে দৌড়াদৌড়ি করছে।
প্রাণের ভাষাকে
শৃঙ্খলমুক্ত করতেই যত আয়োজন।
ওদের সর্বাঙ্গে এখন-
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, প্রেমহরি
বর্মণ, ভূপেন্দ্র
কুমার দত্ত,
শীশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মত লোকগুলোর আত্মা
বাসা বেঁধেছে।
কার্জন হলের পাশ দিয়ে দৌড়াচ্ছে অভীক ও প্রতিবাদী ছাত্রছাত্রী।
বিশালাকায় ক্রমশ এগিয়ে যায় ঢাকা মেডিকেলের মোড়ে।
খবর পাচ্ছি প্রতিক্ষণে...
গণদাবির আওয়াজে ভারি চারপাশের বাতাস।
আমি যাচ্ছি না। যাচ্ছে আমার সত্তা।
কার্জন হলের পাশ দিয়ে দৌড়াচ্ছে অভীক ও প্রতিবাদী ছাত্রছাত্রী।
বিশালাকায় ক্রমশ এগিয়ে যায় ঢাকা মেডিকেলের মোড়ে।
খবর পাচ্ছি প্রতিক্ষণে...
গণদাবির আওয়াজে ভারি চারপাশের বাতাস।
আমি যাচ্ছি না। যাচ্ছে আমার সত্তা।
প্রতিবন্ধীর দৌড় কতটুকু
জীবিতেশ বেশ
ভালোই জানেন।
এক, দুই, তিন ঘণ্টা পরে-
হাঁপাতে হাঁপাতে দৌড়ে আসে রতন। আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি। বুঝতে চেষ্টা করি ভারি নিশ্বাসের বোবা ভাষাকে।
পিছু পিছু আসে বকুল। ওর তনু দেখে বুঝে ফেলি, বাতাস বেশ ভারি রূপ নিয়েছে এতক্ষণে...
আমার স্ক্রেচের বুকে লুটিয়ে পড়ে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে রতন।
১৪৪ ধারা বিহিতক ভাঙার দায়ে! ওরা কেউ নেই!
ছালাম, বরকত, রফিক, জব্বার.......
এক, দুই, তিন ঘণ্টা পরে-
হাঁপাতে হাঁপাতে দৌড়ে আসে রতন। আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকি। বুঝতে চেষ্টা করি ভারি নিশ্বাসের বোবা ভাষাকে।
পিছু পিছু আসে বকুল। ওর তনু দেখে বুঝে ফেলি, বাতাস বেশ ভারি রূপ নিয়েছে এতক্ষণে...
আমার স্ক্রেচের বুকে লুটিয়ে পড়ে হাউমাউ করে কাঁদতে থাকে রতন।
১৪৪ ধারা বিহিতক ভাঙার দায়ে! ওরা কেউ নেই!
ছালাম, বরকত, রফিক, জব্বার.......

0 মন্তব্য:
Post a Comment